বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
তিন মাস পর খুলেছে সুন্দরবন এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১৬ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিতাদেশ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র নওগাঁয় কিশোর গ্যাংয়ের দুই নেতা গ্রেপ্তার, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অগাস্টে ২৯৭ কোটি ডলারের বেশি পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা লিবিয়ার আটককেন্দ্র থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি বিএনপি-এনসিপি নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের নামে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রোজার পরেই এইচএসসি পরীক্ষা, পেছানোর কারণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

কটিয়াদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সংকট দূরীকরণ প্রয়োজন

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৮
  • ৭৫৪ বার পড়া হয়েছে

অমিত বণিক
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক সংকটে স্বাস্থ্যসেবা না মেলার যে খবর সম্প্রতি পত্রিকার পাতায় প্রকাশ হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক হলেও আমাদের জন্য কষ্টদায়ক। বস্তুত ঢাকার বাইরের চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসকের অনুপস্থিতি নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে নানা সময়ে অসন্তোষ, হুঁশিয়ারি ও পদক্ষেপ সত্ত্বেও পরিস্থিতি যে তথৈবচ; কটিয়াদীর সরকারি হাসপাতালটি তার খন্ডচিত্র মাত্র। সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০ শয্যার হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ চিকিৎসকের ২২টি পদ থাকলেও সেখানে ‘কর্মরত’ রয়েছেন ৭ জন। তবে কর্মস্থলে ‘উপস্থিত’ থাকেন আরও কম। চিকিৎসকদের বরাদ্দ পদ ও পদায়নের এই ফারাক নতুন নয়; আমরা সবাই জানি। তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশের পক্ষে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক নিয়োগ সহজও নয়। কিন্তু কটিয়াদীর চিত্রটা আরও উদ্বেগজনক এই কারণে যে, চিকিৎসকের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে সেখানে ‘হারবাল’ চিকিৎসাও রমরমা চলছে ফলে উপজেলার চার লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। মনে রাখা জরুরী, প্রত্যন্ত ওই অঞ্চলের মানুষের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিকল্প কেবল হাতুড়ে চিকিৎসা ও ঝাড়ফুঁক। তাতে যে স্বাস্থ্য ও প্রাণহানি ঘটে, তার দায় এই ‘হাসপাতাল’ সংশ্লিষ্ট বিভাগ এড়াতে পারে কি? জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না থাকায় কোনো নাগরিক যদি চিকিৎসা না পেয়ে বা ভুল চিকিৎসায় প্রাণ হারান, সেই দায় কি কর্তৃপক্ষের কাঁধেই বর্তায় না? আমরা অবিলম্বে দেখতে চাই, কর্তৃপক্ষ হাসপাতালটির সুষ্ঠু চিকিৎসা কার্যক্রম নিশ্চিত করেছে। এ ক্ষেত্রে অবিলম্বে ২২টি না হোক, অন্তত অর্ধেক সংখ্যক চিকিৎসকের পদায়নের বিকল্প নেই। তারও চেয়ে জরুরি, পদায়নকৃত সকল চিকিৎসকদের কর্মস্থলে যথাযথ উপস্থিতি। অস্বীকার করা যাবে না, সরকার উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালগুলোতে অবকাঠামোগত উম্নয়নে মনোযোগী হয়েছে। কিন্তু পর্যাপ্ত চিকিৎসকই যদি না থাকে; আধুনিক ভবন, ৫০ শয্যা- সবই চিকিৎসাপ্রার্থী জনসাধারণের জন্য উপহাস ছাড়া কিছু নয়। এ সংকট দূরীকরণে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
লেখক : উন্নয়নকর্মী, কিশোরগঞ্জ।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com