রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আলোচনা সভা শিগগিরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ, তেলের দামও কমবে: ট্রাম্প কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে ধনিয়াপাতা সংগ্রহের সময় বজ্রপাতে শ্রমিক নিহত, আহত ১ কালের সাক্ষী ২৫০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক গোল মসজিদ হোসেনপুর উপজেলা পরিষদে বিশাল ভিমরুলের চাক, আতঙ্কে মানুষ নির্দোষ কেউ চাকরিচ্যুত হয়নি, ৮৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী এসআরবি বিল পাস, র‍্যাব বিলুপ্ত বিএনপি আসার পর আইনশৃঙ্খলার ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি’ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাবর্ত্য শান্তি চুক্তির ২১ বছর আজ

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় রবিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট
পার্বত্য অঞ্চলে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর শান্তি চুক্তির মাধ্যমে কয়েক দশকের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটে। তিনটি পার্বত্য জনপদে শান্তি ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ ২০ বছরের সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটানোর জন্যে এই শান্তি চুক্তি সাক্ষর করেছিলো তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।
সেসময় সরকারের পক্ষে চুক্তিতে সাক্ষর করেন তৎকালীন চিফ হুইপ আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর পক্ষে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতা সন্তু লারমা।

পাবর্ত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির আজ ২১ বছর পূর্ণ হলো। তবে নানা বিতর্ক রয়ে গেছে চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে। চুক্তির অমীমাংসিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পাহাড়ে বেড়েছে অবিশ্বাস, টানাপোড়েন আর শঙ্কা। সরকারের ব্যাপক উন্নয়নের ফলে সুযোগ-সুবিধা বেড়েছে পাহাড়ে এমন দাবিও করছেন পাহাড়ে বসবাসরত এক পক্ষের বাসিন্দারা।

চুক্তি অনুযায়ী পার্বত্যজেলাগুলোর প্রশাসনিক ৩৩ বিভাগের মধ্যে ১৭টি বিভাগ জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করেছে সরকার। তবে বন ও পরিবেশ, ভূমি ব্যবস্থাপনা ও সাধারণ প্রশাসনসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ এখনো হস্তান্তর করা হয়নি। এছাড়া অবাস্তবায়িত রয়ে গেছে চুক্তির মৌলিক বিষয়গুলো।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির এমপি ও সহ-সভাপতি উষাতন তালুকদার বলেন, ‘সাধারণ প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা, স্থানীয় পুলিশ, বন ও পরিবেশ এবং ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা এই বিষয়গুলো এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে। আমরা চাই জেলা পরিষদ ও আঞ্চলিক পরিষদকে ক্ষমতায়ন করে এসব সমস্যার সমাধান করে এখানে স্থানীয় শাসন প্রবর্তন করা।’

চাকমা সার্কেল চিফ রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় বলেন, ‘শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সরকারের সদ্দিচ্ছা জরুরী। যে সরকারই নির্বাচিত হবে তারা যদি বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিতে পারে তাহলেই এই চুক্তিগুলোর অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান করা সম্ভব।’
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার পার্বত্য চুক্তির বাস্তবায়নে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এমন প্রত্যাশা পাহাড়ের মানুষের।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com