ভৈরব উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জের হাটবাজারে বাজার মূল্য থেকে অধিকমূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য-দ্রব্য বিক্রি করার অপরাধে সাত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪১হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেছেন উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আজ শনিবার দুপুরে ভৈরব উপজেলার কালিকাপ্রসাদ, গজারিয়া, মানিকদি, গাছতলাঘাট ও ফেরিঘাট বাজার মনিটরিং করে এ অর্থদন্ড প্রদান করেন ভৈরব উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট হীমাদ্রী খীসা।
জানা যায়, বিশ্বব্যাপি মহামারি রুপ ধারনকারি করোনা ভাইরাসকে পুজি করে বিভিন্ন হাট বাজারে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে পণ্য বিক্রি করছিলেন। এরই প্রেক্ষিতে আজ শনিবার দুপুরে গ্রাম গঞ্জের হাট বাজারে অভিযানে নামে উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় চাল-ডাল, পেঁয়াজ-রসুনসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অতিরিক্ত মূল্য রাখায় কালিকাপ্রসাদ বাজারের শরিফ খানকে ১০হাজার, সিদ্দিক মিয়াকে ১০হাজার, আকবর নগর বাজারের আফজাল মিয়াকে ১০হাজার, দ্বীন ইসলামকে ২হাজার, মানিকদি বাজারের এরশাদ মিয়াকে ৫হাজার, তৌফিকুল ইসলামকে ২হাজার ও জাকির হোসেনকে ২হাজার সাতজনকে মোট ৪১হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়।
এবিষয়ে অভিযানের নেতৃত্বদানকারি নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট ভৈরব উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) হীমাদ্রী খীসা জানান, বিশ্বব্যাপি আতংক করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতার সুযোগ নিয়ে শহরের পাশাপাশি গ্রামগঞ্জের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজার মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে পণ্য বিক্রির করছেন এমন তথ্য পাওয়ার প্রেক্ষিতে বাজার মনিটরিং করা হয়। এসময় পেঁয়াজের বাজার মূল্য থেকে কেজি প্রতি ৩০ থেকে থেকে ৪০টাকা বেশি ও চাউলের বস্তাপ্রতি ৩শ থেকে ৪শ টাকা বেশি মুল্যে বিক্রি করাসহ অন্যান্য পণ্যদ্রব্যের বাড়তি মূল্য রাখায় সাতটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৪১হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও সারাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরো জানান আপাতাত কোনো পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির সুযোগ নেয়। তাই ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণে বাজার মনিটরিং অভিযান অব্যাহত থাকবে।