ভৈরবে ভেজাল মসলা তৈরির অপরাধে মোঃ আনোয়ার হোসেন (৩৮) ও মোঃ আলমগীর মিয়া (২৮) নামে দুইজনকে চারলাখ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন র্যাব-১৪, ভৈরব ক্যাম্পের ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভৈরব রাণীর বাজারের রতন মিয়ার মিলে আজ বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে থেকে ভোর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ অর্থদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট ভৈরব উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা। অভিযানে মরিচ-হলুদসহ বিভিন্ন প্রকারের ১হাজার কেজি ভেজাল মসলা জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, ভৈরব বাজাররস্থ রাণীর বাজার এলাকায় কতিপয় অসাধু ব্যাবসায়ী অস্বাস্থকর পরিবেশে রং, পাথর কনা, চালের কুড়া, চালের গুড়া মিশ্রণ করে ভেজাল মসলা তৈরী করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরব র্যাব ক্যাম্পের স্কোয়াড কমান্ডার সিনিয়র এডি চন্দন দেবনাথ ও ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানার নেতৃত্বে র্যাবের একটি আভিযানিক দল রাণীর বাজারের রতনের মসলা মিলে অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় মিল থেকে বাজারজাত করার জন্য প্রস্তুত ১হাজার কেজি ভেজাল মসলা জব্দ করে র্যাব সদস্যরা। পরে মিলের মালিকানা অংশীদার ভৈরব পৌর শহরের পঞ্চবটি গ্রামের মোঃ শাহিন মিয়ার ছেলে মোঃ আলমগীর মিয়া ও পাইকারি মসলা বিক্রেতা (রতন মিয়ার মিলের ডিষ্ট্রিবিউটার) ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর থানাধীন আলীনগর গ্রামের হাজী দুধ মিয়ার ছেলে মোঃ আনোয়ার হোসেনকে আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটকৃত প্রত্যেকে ২লাখ করে মোট ৮লাখ টাকা জরিমানা করেন নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট লুবনা ফারজানা। পাশাপাশি জব্দকৃত ১হাজার কেজি ভেজাল মসলা ধ্বংস করা হয়। তবে মিলের আরেক মালিক রতন মিয়া পলাতক থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানায় র্যাব।