বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
তিন মাস পর খুলেছে সুন্দরবন এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু ১৬ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিতাদেশ তুলে নিল যুক্তরাষ্ট্র নওগাঁয় কিশোর গ্যাংয়ের দুই নেতা গ্রেপ্তার, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার অগাস্টে ২৯৭ কোটি ডলারের বেশি পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা লিবিয়ার আটককেন্দ্র থেকে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি বিএনপি-এনসিপি নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের নামে ‘মিথ্যা মামলা’ প্রত্যাহারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন নওগাঁয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রোজার পরেই এইচএসসি পরীক্ষা, পেছানোর কারণ নেই: শিক্ষামন্ত্রী

অগ্রিম অর্থ দিয়েছে বাংলাদেশ, টি’কা আটকাতে পারে না ভারত: পাপন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে
অগ্রিম অর্থ দিয়েছে বাংলাদেশ, টি’কা আটকাতে পারে না ভারত: পাপন

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে করোনাভাইরাসের টি’কা আমদানিকারক বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস বলছে, সিরামকে দেড় কোটি ডোজ টি’কার জন্য অগ্রিম অর্থ দিয়েছে বাংলাদেশ, তাই সেটি ভারত আটকাতে পারে না। খবর বিবিসি বাংলার।

বেক্সিমকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সংসদ সদস্য নাজমুল হাসান পাপন বলেন, “সরকারের তাদেরকে স্পষ্ট বলা উচিৎ যে আমরা অগ্রিম টাকা দিয়েছি। এটা আমাদের অধিকার। ফোনে কথা বলা নয়। শক্ত স্টেপ নিতে হবে”।

“সিরাম জানিয়েছে যে তারা বাংলাদেশের জন্য ৫০ লাখ ডোজ রেডি করে রেখেছে কিন্তু মিনিস্ট্রি অফ এক্সটারনাল এফেয়ার্স ছাড়পত্র দিচ্ছে না। তাই ভ্যাকসিন আনার বিষয়ে এখন বাংলাদেশ সরকারের চুপ করে থাকার কারণ নেই। ” বলেন মি. পাপন।

তিনি কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল টি কার দ্বিতীয় ডোজ নিতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের একথা বলেন।

একটি চুক্তির আওতায় ব্রিটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকা কোম্পানির যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন বাংলাদেশে সরবরাহ করছে ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। ওই করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের পেটেন্ট নিয়ে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট টি কাটি উৎপাদন করছে এবং ভারতীয় এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই বেক্সিমকো একটি চুক্তি করেছে।

আর বেক্সিমকোর কাছ থেকে ওই টিকা নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। তবে বাংলাদেশের ওই টি কার সংরক্ষণ ও সরবরাহসহ আনুষঙ্গিক দায়িত্ব বেক্সিমকো পালন করছে।

চুক্তি অনুযায়ী গত জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ করে মোট তিন কোটি টি কা বাংলাদেশকে দেয়ার কথা সিরামের।

এর ভিত্তিতেই বাংলাদেশ গত সাতই ফেব্রুয়ারি থেকে দেশজুড়ে টি‘কাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। কিন্তু সিরাম এ পর্যন্ত মাত্র ৭০ লাখ ডোজ সরবরাহ করেছে। ফলে বাংলাদেশে দ্বিতীয় ডোজের টি’কা নিয়ে সংকট তৈরি হয়েছে।

এদিকে টি’কা সংকটের পটভূমিতে নানা দেশ থেকে টিকা সংগ্রহের চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। এমনকি দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোতে করোনাভাইরাসের টি’কা দ্রুত সরবরাহ করার লক্ষ্য নিয়ে একটি সংরক্ষণাগার গড়ে তোলার চীনা একটি প্রস্তাবেও বাংলাদেশ সম্মতি দিয়েছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন।

এছাড়া আলোচনা চলছে চীন ও রাশিয়ার ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা নিয়েও।

নাজমুল হাসান পাপন আরো যা বলেন:

“সরকার অগ্রিম টাকা দিয়েছে। সেটা কোনভাবেই তারা (ভারত) আটকাতে পারে না। অন্য দেশের সাথে কি হলো তা আমাদের জানার দরকার নাই। আমরা টাকা দিয়েছি। এটা আমাদের টাকা। টাকা নিয়ে দেবে না এটা গ্রহণযোগ্য না।” সাংবাদিকদের বলেন মি. পাপন।

তিনি বলেন, সিরাম লিখিতভাবে জানিয়েছে যে তাদের সরকার আটকিয়ে রেখেছে। এরপর বাংলাদেশ সরকারের চুপ থাকার কারণ নেই।

“আমাদের দেড় কোটি ডোজের টাকা দিয়ে দিয়েছি যা মে মাসের মধ্যে পাওয়ার কথা। পেয়েছি ৭০ লাখ। বাকী ৮০ লাখ দিয়ে দিক। এরপর দরকার হলে তাদের কাছ থেকে নেবো না। আমাদের বিকল্প উৎস আছে”।

তিনি বলেন, “আমরা যেটা দিয়েছি সেটা জনগণের টাকা। সেটা আটকানোর অধিকার তাদের নেই। যত সংকটই দেখাক না কেন। ভারতও অগ্রিম টাকা দেয়নি। আমরা তাদের কথায় বিশ্বাস করে টাকা দিয়েছি। এখন এসব বললে তো হবে না”।

বেক্সিমকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন, যিনি একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একজন সংসদ সদস্য, তিনি বলেন, “ভারত বাংলাদেশের বন্ধু। এটা এখন দেখার সময় এসেছে। এত মিষ্টি মিষ্টি কথা শোনার দরকার নেই। আমরা দয়া চাই না। ন্যায্য পাওনা আমাদের ভ্যাকসিন, তা দিতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে স্থানীয়ভাবে ভ্যাকসিন উৎপাদন ছাড়া আর কোন পথ নেই।

“আমি জানি না যাদের এ সক্ষমতা আছে তারা কেন এগিয়ে আসছে না। তবে আর দু মাসের মধ্যে প্রচুর ভ্যাকসিন আসবে। তখন আরও বিকল্প থাকবে”।

নাজমুল হাসান পাপনের এসব বক্তব্যের তাৎক্ষণিক কোন প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশের সরকারের তরফ থেকে পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত মার্চের মাঝামাঝি ভারত টি’কা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয়। যার ফলে বাংলাদেশে যেমন টিকা আসেনি তেমনি সিরাম ইনস্টিটিউট যুক্তরাজ্য ও ব্রাজিলে টিকার চালান নির্দিষ্ট সময়ে পাঠাতে পারেনি।

তবে এর আগ পর্যন্ত ৬ কোটি ডোজ টি’কা ৭৬টি দেশে রপ্তানি করেছে তারা, যার অধিকাংশই ছিল অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টি’কা।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com