নওগাঁর সদর উপজেলার বক্তারপুর মডেল ইউনিয়নের কৃষকের ফসল বাচাতে সরকারী রেকর্ডভুক্ত খাল সংস্কার এর দাবীতে জেলা প্রশাসককে স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রশাসক খালেদ মেহেদী হাসান পিএএ,এর নিকট বক্তারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সারোয়ার কামাল চঞ্চল প্রায় ১০ গ্রামের শতাধীক কৃষকের স্বাক্ষরিত এ স্বারকলিপি প্রদান করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বক্তারপুর মডেল ইউনিয়নের কৃষককের ৩ হাজার বিঘা জমির রোপনকৃত বোরো ধান গত তিন দিনের হঠাৎ বৃষ্টির পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে। পানি নিস্কাশনের বাধাঁগ্রস্থ হওয়ায় রোপনকৃত বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গিয়ে ওই এলাকার কৃষকে ব্যাপক খয়ক্ষতি হয়েছে। বক্তারপুর ইউনিয়নের, চন্দনা বিল,কুমড়ার বিল ও নলগাড়া বিলের মধ্যদিয়ে সরকারী রেকর্ডভুক্ত খালটি এখোন কিছু প্রভাবশালীদের দখলে যাওয়ায় পানি নিস্কাশনে বাধাগ্রস্থ হলে এই ১০ গ্রামের কৃষক ক্ষতির সম্মখিন হয়ে পরেন বলে মনে করেন এলাকার কৃষক।
সেকারনে বক্তারপুর ইউনিয়নের, চন্দনা বিল,কুমড়ার বিল ও নলগাড়া বিলের মধ্যদিয়ে সরকারী রেকর্ডভুক্ত খালটি দ্রুত সংস্কার করার দাবীতে কৃষকদের গণস্বাক্ষরকৃত স্বারকলিপি প্রদান করেন।
এই সরকারী রেকর্ডভুক্ত খালটি দ্রুত সংস্কার করতে হলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের পাশদিয়ে ফলিমারা ব্রীজ হয়ে দিঘলীর বিলের সাথে পূনরায় সংযোগ করে দিলে কৃষকের ভোগান্তী কমবে বলে মনে করেন তাঁরা। স্বারকলিপিটি জেলা প্রশাসকসহ উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রদান করা হয়েছে বলেও জানা গেছে।
বক্তারপুর ইউপি চেয়ারম্যান সারোয়ার কামাল চঞ্চল বলেন, ইউনিয়নবাসীর দাবী সরকারী রেকর্ডভুক্ত খালটি কিছু প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। এই খালটি অবৈধ দখল মুক্ত করে পানি নিস্কাশনের ব্যাবস্থা করলে আমার ইউনিয়নের ১০ গ্রামের কৃষক সুষ্ট ভাবে ফসল ঘড়ে তুলতে পারবে । তিনি আরও বলেন সরকারী রেকর্ডভুক্ত খালটি প্রভাবশালীদের দখলে না রেখে পূনরায় খালটি খনন করে কৃষকদের বাচাতে বা কৃষি সেক্টরকে বাচাতে হবে । কৃষকদের কথা ভেবে আজকে কৃষকদের ডাকে জেলা প্রশাসক এর কাছে একটি স্বারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। যেহেতু নওগাঁ জেলা কৃষি নির্ভরশীল জেলা তাই দ্রুত সরকারী রেকর্ডভুক্ত খালটি সংস্কার করে কৃষকের প্রাণের দাবী পূরন করবে জেলা প্রশাসন এমনটি প্রত্যাশা করছি।
নওগাঁ জেলা প্রশাসন খালেদ মেহেদী হাসান পিএএ বলেন, যেহেতু নওগাঁ জেলা কৃষি নির্ভরশীল জেলা এই জন্য কৃষকের কথা ভেবে দ্রুত পানি নিস্কাশনের ব্যাস্থার গ্রহণ করা হবে। সেই সাথে তিনি বলেন সরকারী রেকর্ডভুক্ত খালটির বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত দখলমুক্ত করে পূনরায় পানি নিস্কাশনের উপযোগী করে তোলা হবে।