২০০২ সালে ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ ভাবে আয়োজক দেশ ছিল দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। যা ছিল এশিয়ার বুকে প্রথম বিশ্বকাপ। ঠিক দুই দশক পর ফের এশিয়ায় বিশ্বকাপ। মঞ্চটা এবার কাতার। এই ফারাকের মধ্যে গোটা এশিয়া তাকিয়ে দুই দেশের দিকে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। এই বিশ্বকাপে যারা নিঃসন্দেহে বিস্ময়। বিশেষ করে জাপান। যাদের কাছে বধ হয়েছে প্রাক্তন দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। জার্মানির বিদায় ঘণ্টা বেজে গিয়েছিল শেষ ম্য়াচে। আর স্পেনকে হারিয়ে তারা নক আউটে জায়গা করে নিয়েছে।
বিশ্বকাপের মঞ্চে বিদেশি কোচের হাতে কোরিয়ানদের সাফল্য আছে। ২০ বছর আগে গুস হিন্ডিঙ্ক দক্ষিণ কোরিয়াকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলেছিলেন। আর এবার পাওলো বেন্টোর হাতে তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এই বিশ্বকাপে যদি আর্জেন্টিনার হার মহা অঘটন হয়, তাহলে পর্তুগালের হারও খুব কম কিছু নয়। দক্ষিণ কোরিয়া মানেই এখন সন। মাস্ক ম্য়ানের দিকেই তাকিয়ে গোটা সিওল।
অন্যদিকে জাপানিদের শক্তি গতি। কাতারে স্পেন ও জার্মানির ফুটবল ঐতিহ্য ধূলিস্যাৎ হয়েছে জাপানিদের গতির কাছে। বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় কাতারের আল জানুব স্টেডিয়ামে জাপানের সামনে গতবারের বিশ্বকাপের রানার্স ক্রোয়েশিয়া।
আর বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় দক্ষিণ কোরিয়া মুখোমুখি হবে লাতিন পরাশক্তি ব্রাজিলের। ব্রাজিল ও দক্ষিণ কোরিয়া এখন পর্যন্ত মুখোমুখি হয়েছে ৭ ম্যাচে। যেখানে আধিপত্য পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের। সাত ম্যাচের মধ্যে ৬টিতেই জিতেছে হলুদ শিবির। দক্ষিণ কোরিয়ার জয় এক ম্যাচে।
উল্লেখ্য, ব্রাজিল ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে কী ফর্মূলা থাকবে এশীয়দের? আগ্রহ বাড়ছে। কারণ, এশীয়দের বিশ্বাস জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া এখন সবকিছু করতে পারে।