রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ স্পিডবোট ঘাটে নিজে অভ্যর্থনা জানিয়ে উপজেলা সদরের কামালপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে নিয়ে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে। মঙ্গলবার দুপুরে সেখানে ১৯ পদ দিয়ে দুপুরের খাবারে আপ্যায়ন করা হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। সেনানিবাসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আতিথেয়তা গ্রহণে রাষ্ট্রপতির কিশোরগঞ্জের বাড়িতে যান তিনি।
খাবারের মেন্যুতে ছিল রুই মাছের দোপেঁয়াজা, কাতল মাছের দোপেঁয়াজা, চিতল মাছের দোপেঁয়াজা, আইড় মাছের দোপেঁয়াজা, পাবদা মাছের দোপেঁয়াজা, গোলসা টেংরা মাছ দোপেঁয়াজা ও কালিবাউস মাছের দোপেঁয়াজা। এছাড়া ছিল শোল মাছ ভুনা, বাইম মাছ ভুনা, চিংড়ি মাছ ভুনা, বোয়াল মাছ ভুনা, গ্রাস কার্প ভুনা, বাছা মাছ ভুনা, রিটা মাছের ঝোল, পাংগাস মাছের ঝোল, মসুর ডাল, সালাদ এবং রসমালাই।
এর আগে, কিশোরগঞ্জে নবনির্মিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাস উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে এটি উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী সেনানিবাস এলাকায় একটি গাছের চারা রোপণ করে মোনাজাতে অংশ নেন।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে পৌঁছান। দীর্ঘ দুই যুগ পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিঠামইন যান। তার এই সফরকে কেন্দ্র করে হাওরাঞ্চলে উৎসমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।