সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
গাজীপুর ও সাভারে অন্তত ৮০ কারখানায় ছুটি জরুরি বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী, শ্রমমন্ত্রীর বিদেশ সফর বাতিল হোসেনপুরে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা কিশোরগঞ্জে নানা আয়েজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে জাতীয় যুব দিবস কাঁচি-ট্রিমারে বদলায় মানুষের রূপ, বদলায় না তাড়াইলের নরসুন্দর শান্ত’র ভাগ্য উত্তরার বারে তাহসিফের সঙ্গে দেখা সেই তরুণী রিমান্ডে ইরানে নতুন হামলার দিনক্ষণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র তাহসিফের মৃত্যু: ‘বন্ধুস্থানীয় ছোটভাই’ দীপের ৪ দিনের রিমান্ড আশুলিয়াতেও শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ২৫ কারখানা ছুটি অকৃতকার্য ৪ লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর পরীক্ষা এক মাসের মধ্যে: শিক্ষামন্ত্রী

হোসেনপুরে রোদ বৃষ্টি সঙ্গী করেই জীবন কাটাচ্ছেন বৃদ্ধা ফজিলা; একটি ঘরের আকুতি

সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে এক হতদরিদ্র বৃদ্ধা তার থাকার ঘরটি সংস্কার কিংবা নতুন একটি ঘর তৈরি করে দেওয়ার মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ছাড়াও সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে।

গত কয়েকদিনের মুষলধারে বৃষ্টি যেন অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে হতদরিদ্র বৃদ্ধা ফজিলার। কারণ ওই বৃষ্টির পানিতে তার ঘরের সবকিছুই ভিজে বাসযোগ্যহীন হয়ে পড়ে। কেননা ভাঙা চালার একমাত্র কুপড়ি ঘরই যে তার সহায় সম্বল।তাই রোদ বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই এ কুপড়ি ঘরে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন হতদরিদ্র বৃদ্ধা ফজিলা খাতুনের।
তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার পুমদি ইউনিয়নের বর্শিকুড়া গ্রামে। ফজিলার স্বামী সুরুজ মিয়া দীর্ঘদিন আগে থেকেই তাকে ছেড়ে অন্য জায়গায় বউ নিয়ে সংসার করছেন। একটি মাত্র ছেলেও বউ সন্তান আর সংসার নিয়ে ব্যস্ত। ভাঙা একটি ছোট্ট কুপড়ি ঘরেই কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছেন ফজিলা।
গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরানো টিনের ভাঙা চাল আর ভেড়ার একটি কুপড়ি ঘরে বসবাস করছেন ফজিলা৷ তার ঘরের সবকিছুই বৃষ্টির পানিতে ভেজা। নিজের কোনো সহায় সম্বল নেই যে তিনি নতুন একটি ঘর তৈরি করবেন। এ সময় বৃদ্ধা ফজিলা জানান, বৃষ্টিতে ভিজেই প্রতিনিয়ত এ ঘরেই তার থাকতে হয় তার। ঘরটি মেরামত করার মতো তার কোনো সহায় সম্পদ নেই৷তাই সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট তিনি কিছু টিন অথবা একটি ঘরের আকুতি তার।যেন বাকী জীবন একটু শান্তিতে বসবাস করতে পারেন ৷ 
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে উপজেলার পুমদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল খাইয়ুম জানান, আপনার মাধ্যমে বিষয়টি আমি জেনেছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার কয়েক জন মোরব্বীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন- বৃদ্ধা ফজিলা খেয়ে না খেয়ে দিনা দিন পাত করে, তার মূত বাবার বৃটে ছাড়া আর কোন অর্থ সম্ভবল নেই যে ভাংগা ঘরটি মেরামত করবে। বৃষ্টি এলেই এই ভাংগা  ঘরটিতে বসে ভিজে আর কান্না করে আল্লাহ কাছে মোনাজাত করে কেউ যদি আমাকে একটি নতুন ঘর করে দিতোও তাহলে আমি শেষ বয়সে নতুন ঘরে শুয়ে মরেও শান্তি পেতাম।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com