শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ লাগানো লাশ উদ্ধার কাঁচাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চড়া ডিম-মুরগির দাম বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু নরসিংদীতে বিষপানে মা ও মেয়ের মৃত্যু, আটক বাবা লংমার্চে বাধা দিলে জনরোষের মুখে পড়তে পারে সরকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার চলতি মাসে দেশব্যাপী শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকা ক্যাম্পেইন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ছাই তরুণ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন কিশোরগঞ্জে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুলের ২৮৪ শতক জমি জব্দ, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

হোসেনপুরে রোদ বৃষ্টি সঙ্গী করেই জীবন কাটাচ্ছেন বৃদ্ধা ফজিলা; একটি ঘরের আকুতি

সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৩
  • ১১৪ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে এক হতদরিদ্র বৃদ্ধা তার থাকার ঘরটি সংস্কার কিংবা নতুন একটি ঘর তৈরি করে দেওয়ার মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ছাড়াও সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে।

গত কয়েকদিনের মুষলধারে বৃষ্টি যেন অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে হতদরিদ্র বৃদ্ধা ফজিলার। কারণ ওই বৃষ্টির পানিতে তার ঘরের সবকিছুই ভিজে বাসযোগ্যহীন হয়ে পড়ে। কেননা ভাঙা চালার একমাত্র কুপড়ি ঘরই যে তার সহায় সম্বল।তাই রোদ বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই এ কুপড়ি ঘরে দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন হতদরিদ্র বৃদ্ধা ফজিলা খাতুনের।
তার বাড়ি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার পুমদি ইউনিয়নের বর্শিকুড়া গ্রামে। ফজিলার স্বামী সুরুজ মিয়া দীর্ঘদিন আগে থেকেই তাকে ছেড়ে অন্য জায়গায় বউ নিয়ে সংসার করছেন। একটি মাত্র ছেলেও বউ সন্তান আর সংসার নিয়ে ব্যস্ত। ভাঙা একটি ছোট্ট কুপড়ি ঘরেই কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছেন ফজিলা।
গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুরানো টিনের ভাঙা চাল আর ভেড়ার একটি কুপড়ি ঘরে বসবাস করছেন ফজিলা৷ তার ঘরের সবকিছুই বৃষ্টির পানিতে ভেজা। নিজের কোনো সহায় সম্বল নেই যে তিনি নতুন একটি ঘর তৈরি করবেন। এ সময় বৃদ্ধা ফজিলা জানান, বৃষ্টিতে ভিজেই প্রতিনিয়ত এ ঘরেই তার থাকতে হয় তার। ঘরটি মেরামত করার মতো তার কোনো সহায় সম্পদ নেই৷তাই সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট তিনি কিছু টিন অথবা একটি ঘরের আকুতি তার।যেন বাকী জীবন একটু শান্তিতে বসবাস করতে পারেন ৷ 
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে উপজেলার পুমদি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল খাইয়ুম জানান, আপনার মাধ্যমে বিষয়টি আমি জেনেছি। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার কয়েক জন মোরব্বীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন- বৃদ্ধা ফজিলা খেয়ে না খেয়ে দিনা দিন পাত করে, তার মূত বাবার বৃটে ছাড়া আর কোন অর্থ সম্ভবল নেই যে ভাংগা ঘরটি মেরামত করবে। বৃষ্টি এলেই এই ভাংগা  ঘরটিতে বসে ভিজে আর কান্না করে আল্লাহ কাছে মোনাজাত করে কেউ যদি আমাকে একটি নতুন ঘর করে দিতোও তাহলে আমি শেষ বয়সে নতুন ঘরে শুয়ে মরেও শান্তি পেতাম।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com