কিশোরগঞ্জের ভৈরব থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ উদ্ধার হওয়া অস্ত্র পুলিশের হাতে হস্তান্তর করেছে সেনাবাহিনী।
শনিবার দুপুরে অস্থায়ী আর্মি ক্যাম্প থেকে এসব অস্ত্র পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়। এর আগে গেল ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের মতো ভৈরব থানায় অনন্ত ১০/১৫ হাজার দূর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে । এসময় ভৈরব থানা, ভৈরব বাজার পুলিশ ফাড়ি, ভৈরব রেলওয়ে থানা, ভৈরব হাইওয়ে থানা ও ভৈরব নৌ থানার লুট করা অস্ত্র রয়েছে। পরে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সংগঠনসহ সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতায় বিভিন্ন স্থান থেকে একে একে লুট হওয়া বন্ধুক,শটগান, এলএমজি, স্ট্যানগান, চাইনিজ রাইফেল, গ্যাষগান সহ বিপুল পরিমান প্রয়োজনীয় মালামাল ও গোলা বারুদ উদ্ধার করে সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
এসব অস্ত্র পুলিশের হাতে হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন, ক্যাম্প কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল ফারহানা আফরীন, অপারেশন কমান্ডার মেজর মো. সানজেদুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন মো. রায়হান রেজা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদুয়ান রাফি ও ভৈরব থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম।
এ সময় মেজর সানজিদুল ইসলাম বলেন, লুট হওয়া অস্ত্র ছাত্র জনতার সহযোগিতায় কিছু এবং বেশ কিছু অস্ত্র আমরা অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছি। সেগুলো পুলিশের হাতে হস্তান্তর করেছি পুলিশ যেন জনগনের কল্যাণে কাজ করতে পারে সেজন্য আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করছি। বাকি অস্ত্র গুলো ও উদ্ধার করা হবে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি মোঃ সফিকুল ইসলাম জানান, থানায় হামলার আগে আমরা সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় গাড়ীতে করে কিছু অস্ত্র আনলেও দূর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে থানা থেকে বেশ কিছু অস্ত্র লুট করে নিয়ে যায় । বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার হলেও বাকি অস্ত্র গুলো ফেরত দেয়ার আহবান জানাচ্ছি । ফেরত না দিলে পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এবিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদুয়ান রাফি বলেন, পুলিশকে তাদের অস্ত্র বুঝিয়ে দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে এ উপজেলার প্রায় চারলক্ষ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে অপারেশন পরিচালনা করা হবে। আজ থেকে জনগণের সেবক হিসেবে পুলিশ সদ্যসরা তাদের পালনে পুরোদমে মাঠে নামবে।