কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মালবাহী ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে সুফল আহমেদ (২০) নামে এক মটরসাইকেল আরোহীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মটরসাইকেলে থাকা আরো দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে ভৈরব-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের শম্ভুপুর পাক্কার মাথা এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সুফল ভৈরবপুর উঃপাড়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকার স্বপন মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন, ভৈরবপুর উঃপাড়া এলাকার বড় মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ বণ্য (১৮) ও অপরজন পৌর শহরের গাছতলা ঘাট এলাকার মোঃ আতাউল্লাহ’র ছেলে মোঃ মুন্না মিয়া। আহত মুন্না কে আশংকাজনক অপস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং বণ্য স্থানীয় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসাধীণ রয়েছেন।
জানা যায়, ঘুরাফেরার উদ্দেশ্যে শুক্রবার দুপুরের পর পরই মটরসাইকেলে করে তিনবন্ধু কুলিয়ারচরে আসেন। ঘুরাফেরা শেষে বাড়ির ফেরার পথে বিকেল ৫টার দিকে তাদের মটর সাইকেলটি শম্ভুপর পাক্কারমাথা এলাকায় পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা কিশোরগঞ্জগামী একটি মালবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী সিএনজির সাথে ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে মটরসাইকেলে তিন আরোহী গুরুতর আহত হন এবং ঘাতক ট্রাকচালক ও সিএনজিচালক নিজ নিজ গাড়িসমে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা তিন মটরসাইকেল আরোহীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষনা করেন।
অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া ওভারটেকিংয়ের কারণেই এ দূর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। এবিষয়ে ভৈরব হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাজু মিয়া বলেন, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌছে সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক করি। ঘাতক ট্রাক ও সিএনজি পালিয়ে যাওয়ায় আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানান তিনি।