শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
আশুলিয়ায় ‘শক্তিশালী বোমা’ উদ্ধার বাংলাদেশসহ ১৪ দেশকে নিয়ে সৌদির নতুন সমুদ্রকেন্দ্রিক সামরিক জোট ঘোষণা ‘অগাস্টেই বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য’ বাংলাদেশিদের ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করার তাগিদ ভারতের সংসদীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টার পদত্যাগ, সংকটে ফিফা সভাপতি নওগাঁয় জমি দখলের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি সুবিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন: হোসেনপুরে কিশোরীকে নির্যাতন, জোরপূর্বক বিয়ে ও প্রাণনাশের অভিযোগ ৫০ বছরে সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের প্রাণহানি জুলাই নিয়ে ব্যবসা না করার আহ্বান জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল

জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল শেরপুরের ছানার পায়েস

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে
জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল শেরপুরের ছানার পায়েস

ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন মিষ্টান্ন ছানার পায়েস।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) শিল্প মন্ত্রণালয়ের পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুনির হোসেন সই করা এক নিবন্ধন সনদে ছানার পায়েসকে ৪৩তম জিআই পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

এর আগে গত বছর জেলা ব্র্যান্ডিং বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠকে ছানার পায়েসকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের সুপারিশ করা হয়। এ নিয়ে শেরপুর জেলার স্থানীয় সুগন্ধি চাল তুলশি মালাসহ দুটি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেল।

জানা যায়, ব্রিটিশ আমলে জেলার ঘোষপট্টিতে প্রথম ছানার পায়েস তৈরি হয়। সে সময় জমিদাররা ঘোষপট্টিতে বানানো ছানার পায়েস কলকাতায় নিয়ে যেতেন।

এ পায়েসের কারিগররা জানান, প্রথমে উচ্চ তাপমাত্রায় দুধ জ্বাল দিয়ে ক্ষীর তৈরি করা হয়। এরপর আলাদাভাবে দুধ থেকে ছানা কেটে তাতে সামান্য ময়দা মিশিয়ে ছোট ছোট বলের মতো তৈরি করা হয়। বলগুলো পরে চিনির শিরায় ভিজিয়ে আগে প্রস্তুত করে রাখা ওই ক্ষীরে ছেড়ে অল্প আচে কিছুক্ষণ জ্বাল দিতে হয়। এতেই তৈরি হয়ে যায় সুস্বাদু ছানার পায়েস।

অনুরাধা মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের স্বত্বাধিকারী বাপ্পি দে জানান, শেরপুরের ঐতিহ্যবাহী ছানার পায়েসের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। জেলার বাইরে থেকে কোনো ভ্রমণপিপাসু শেরপুরে এলে, ফেরার সময় ছানার পায়েস সঙ্গে করে নিয়ে যান। ছানার পায়েস জিআই স্বীকৃতি পাওয়ায়, এর কদর আরও বাড়বে। এটি আমাদের ঐতিহ্যের স্মারক।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, শেরপুরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী খাবার হিসেবে ছানার পায়েসের বেশ সুনাম রয়েছে। দেশে-বিদেশে এ মিষ্টির বেশ কদর রয়েছে। ছানার পায়েস তৈরি ও বিপণনের সঙ্গে অনেকেই জড়িত। এটিকে জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধনের ফলে এর কদর আরও বাড়বে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com