মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ইশরাকের পদত্যাগপত্র পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আজই প্রজ্ঞাপন হতে পারে সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির নিয়োগ বাতিল তাড়াইলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হরিজন ও জেলে সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ বদলগাছীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে ৪০০ দুস্থের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন বদলগাছীতে হত্যা চেষ্টার আসামিদের বাঁচাতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ পাকুন্দিয়ায় অটোবাইকের চাপায় ৬ বছরের শিশু নিহত ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

চীন সফরে ট্রাম্পের নিরাপত্তা সতর্কতা, উপহার ফেলে খালি হাতে ফিরেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে
চীন সফরে ট্রাম্পের নিরাপত্তা সতর্কতা, উপহার ফেলে খালি হাতে ফিরেন ট্রাম্প

বাণিজ্য এবং বিরল খনিজ সম্পদ নিয়ে চুক্তি করার বড় প্রত্যাশা নিয়ে চীন সফরে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে সয়াবিন এবং বোয়িং বিমান নিয়ে চুক্তি ছাড়া আর কোনও সমঝোতা হয়নি। এমনকি সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার আগে চীন থেকে পাওয়া সব উপহারও বেইজিংয়েই ফেলে দিয়েছেন ট্রাম্পের সফরসঙ্গীরা।

চীন সফরে মার্কিন প্রতিনিধিদলের ব্যবহার করা সাময়িক ‘বার্নার ফোন’ও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। চীনের দেওয়া উপহার ফেলে, ফোন নষ্ট করে তবেই এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠেন ট্রাম্প ও তার সঙ্গীরা।

এটি অবশ্য নতুন কিছু নয়। চীনে মার্কিন প্রতিনিধিদল প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই পদ্ধতি অনুসরণ করে আসছে। তবে এবার ঘটনাটি সবার চোখের সামনেই ঘটেছে।

মার্কিন প্রতিনিধিদল তাদের দুই দিনের সফরে চীনা কর্মকর্তাদের কাছ থেকে পেয়েছিল ‘বার্নার ফোন’ (অস্থায়ী ব্যবহারের ফোন), ল্যাপেল ব্যাজ, সংবাদিক বৈঠকের আমন্ত্রণপত্র এবং বিভিন্ন স্মারক। এর সবই তারা ফেলে দিয়েছেন। এমনকি একটা স্যুভেনির পর্যন্ত সঙ্গে রাখেননি। বিমানের সিঁড়ির নিচে রাখা একটি আবর্জনার ঝুড়িতে তারা সেগুলো ফেলে দেন।

কিন্তু এর কারণ কী? চীনের গুপ্তচরবৃত্তি বা নজরদারির কোনওরকম সম্ভাবনা নস্যাৎ করে দেওয়া। ফলে ট্রাম্পের চীন সফরে নিরাপত্তার কড়াকড়ি যে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

মূলত গুপ্তচরবৃত্তি এবং সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মূল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়াশিংটনে ফিরে যাওয়ার আগে, ট্রাম্প নিজেও প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন একে অপরের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করে থাকে।

তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থাগুলো কেবল যাত্রার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। ট্রাম্প ও তার প্রতিনিধিদল (যাদের মধ্যে এনভিডিয়া -র সিইও জেনসেন হুয়াং এবং ইলন মাস্কও ছিলেন) চীনে যাওয়ার আগেই তাদের ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক যন্ত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রে রেখে গিয়েছিলেন। মোবাইল, ল্যাপটপ সবই তারা যুক্তরাষ্ট্রে রেখে গিয়েছিলেন। সম্ভাব্য হ্যাকিংয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতেই তা করা হয়েছিল।

সাময়িক কথাবার্তার জন্য ‘বার্নার ফোন’ ছিল প্রত্যেকের কাছে। সাময়িক বিদেশযাত্রার জন্য এই ধরনের ফোন ব্যবহার করা হয়। এগুলো তুলনামূলক সস্তা এবং এতে আধুনিক সুযোগসুবিধা তেমন থাকে না। ফলে এই ধরনের ফোন ‘হ্যাক’ করলেও শত্রু পক্ষের লাভ হয় না।

মূলত সাইবার নিরাপত্তার দিকগুলো মাথায় রেখেই মার্কিন প্রতিনিধিদের চীন সফরে এই ফোন ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার আগে সেই ফোন তারা নষ্ট করেন।

মার্কিন গোয়েন্দারা দীর্ঘ দিন ধরেই নিত্য ব্যবহারযোগ্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নিয়ে সতর্ক করে আসছেন। নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বাড়তি কড়াকড়ি থাকে। চীন তার মধ্যে অন্যতম।

গোয়েন্দারা বলছেন, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি সঙ্গে থাকলে তা হ্যাক করার চেষ্টা হতে পারে। ক্ষতিকর সফ্‌টওয়্যার তাতে প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হতে পারে। নানা ভাবে ওই সমস্ত ‘ডিভাইস’ থেকে তথ্য বার করে নেওয়াও হতে পারে অজান্তে।

এমনকি, সুইচ-অফ করা মোবাইল ফোনও শত্রুর নিশানা হতে পারে। এই ধরনের সম্ভাবনা এড়াতেই চীন সফরে কেউ মোবাইল নিয়ে যাননি। সেখান থেকে পাওয়া কোনও জিনিস নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে ফেরেননি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com