কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়ে ২৮৫ পিস নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও ২৫ পিস চায়না দুয়ারী (রিং জাল) জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত এসব জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাড়াইল সদর বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন তাড়াইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী।
উপজেলা মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, তাড়াইল সদর বাজারে মাছুম মিয়া নামের এক ব্যবসায়ীর দোকানে অভিযান চালিয়ে মোট ৩১০ পিস অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ২৮৫ পিস কারেন্ট জাল এবং ২৫ পিস দুয়ারী বা রিং জাল রয়েছে।
এ ছাড়া উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন মেসার্স লাবিব পোল্ট্রি ফিড এন্ড মেডিসিনের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স না থাকায় মৎস্য ও পশুখাদ্য আইনে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে জব্দকৃত অবৈধ কারেন্ট ও দুয়ারী জাল উপজেলা পরিষদ চত্বরে খোলা জায়গায় জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রাশেদুজ্জামান মিয়া, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন এবং অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মারুফ আকন্দ। এ সময় তাড়াইল থানার পুলিশ সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।
তাড়াইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন বলেন, দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবৃদ্ধি রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তাড়াইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী বলেন, অবৈধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার জলজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক প্রজনন ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি। টেকসই মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।