কিশোরগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনটি খাদ্য প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জেলার বিভিন্ন খাদ্য প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে কিশোরগঞ্জের বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে নিরাপদ খাদ্য আইনে সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল) পরিচালনা করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এমরান এবং কিশোরগঞ্জ জেলার নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. আশরাফুল ইসলাম তালুকদার।
অভিযানকালে বিজ্ঞ আদালত মারিয়া বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত এম এম খান ফুডসকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি, দই ও দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণের দায়ে ৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
এশিয়া ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন এবং মোড়কে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া আজহার ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরিকে অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বনরুটি ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে আরও ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। তিন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে জরিমানার অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।
অভিযানের অংশ হিসেবে সুগন্ধা ফুড প্রোডাক্টস, গাংচিল রেস্তোরাঁ, কাচ্চি ভাই, হোটেল খাওয়া-দাওয়া, তাজ রেস্টুরেন্ট ও মাটির হাঁড়ি রেস্তোরাঁসহ বিভিন্ন খাদ্য প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করা হয়। এসব প্রতিষ্ঠানে পাওয়া বিভিন্ন অসংগতি দ্রুত সংশোধনের জন্য মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়।
আদালতের অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শংকর চন্দ্র পাল। এ সময় পুলিশ, কিশোরগঞ্জ র্যাব ও আনসার ব্যাটালিয়নের একটি করে চৌকস দল নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে।