বিশ্ব বসতি দিবস ও বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিবস দুটির তাৎপর্য ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত র্যালিতে অংশ নেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিশ্ব বসতি দিবস ও বিশ্ব শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়।
র্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। সভায় তিনি বলেন, একটি সুন্দর, নিরাপদ ও টেকসই বসতি মানুষের মৌলিক জীবনমান নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, নিরাপদ আবাসন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য সমাজ গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
বিশ্ব শিক্ষক দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, শিক্ষকরা শুধু পাঠদান করেন না; তাঁরা জ্ঞান, মূল্যবোধ, মানবিকতা ও নৈতিকতার আলোয় একটি প্রজন্মকে গড়ে তোলেন। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে শিক্ষকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই শিক্ষকদের মর্যাদা, পেশাগত সক্ষমতা এবং শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ, সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের প্রতিনিধি, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রতিনিধি, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বিশ্ব বসতি দিবস সবার জন্য নিরাপদ, টেকসই ও বাসযোগ্য আবাসন নিশ্চিত করার গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। অন্যদিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস শিক্ষকদের অবদান ও মর্যাদার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। শিক্ষকদের হাত ধরেই গড়ে ওঠে আগামী দিনের মানুষ, সমাজ ও রাষ্ট্র।