শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দাম্মামের সব ফ্লাইট তিন দিন বন্ধ, রিয়াদ রুটে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত কিশোরগঞ্জে দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান বদলগাছীতে রাতের আঁধারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার ভাঙচুর, এলাকায় ক্ষোভ হোসেনপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতার আহ্বান কিশোরগঞ্জে পাগলা শিয়ালের আক্রমণে নারী-শিশুসহ আহত ৩, ছাগলও রেহাই পায়নি দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে গাড়িচাপায় দুই পা হারিয়েছেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস রাস্তার পাশে খাবারের দোকানেও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে সাগরে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও তিন বদলগাছীতে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে এতিম শিশুদের নতুন টাকা উপহার দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নয়ন

বাল্য বিবাহের কারণে দাখিল পরীক্ষা দেওয়া হল না

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ৫৭৯ বার পড়া হয়েছে

দিলীপ কুমার সাহা :
শনিবারে অনুষ্ঠিত এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত হয় ১৪৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী। কিন্ত দুই বছরের ব্যবধানে এক ছাত্রী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে গেছে। মাধ্যমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার একমাত্র কারণ বাল্যবিবাহ বলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে , ২০১৮ সালের এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য উপজেলার ১০ টি মাধ্যমিক ও পাঁচটি দাখিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১৪৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী নবম শ্রেণীতে ওঠার পর নাম নিবন্ধন করে। দুই বছর পর ওই ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় ফরম পূরণ করে ১৪৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী। এর ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মধ্যে এক জন ছাত্রী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়েছে। জানা যায় আজ শনিবার থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমান দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিতে ওই বিদ্যালয়গুলো ১৪৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী ফরম পূরণ করেছে এর মধ্যে একজন ছাত্রী বাল্য বিয়ের কারণে ঝরে পড়েছে। সে ছাতিরচর দাখিল মাদ্রাসার।ছাত্রী
উপজেলা মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও মোহরকোনা আশরাফিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. মাহবুব রহমান বলেন , বাল্য বিয়ের কারণে দাখিল পলীক্ষায় একজন ছাত্রী শিক্ষা জীবন ও দাখিল পলীক্ষা থেকে ঝরে গেছে।
ছাত্রীটির অভিভাবকদের সাথে কথা বললে জানা যায়,বাল্য বিবাহ কী এটা বুঝি না , মেয়ে বড় হয়েছে বিয়ে দিয়েছি এতে দোষের কী আছে। দিনকাল ভালো না তাই যতো তাড়াতাড়ি মেয়েকে বিয়ে দেওয়া যায় সেটাই ভালো। মেয়ে ঘরে বড় হলে মা-বাবার চোখের ঘুম হারাম হয়ে যায়। বাবা-মা হিসেবে মেয়েকে বিয়ে দেওয়া ফরজ কাজ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জমান হাবীব বলেন, এ ঝরে পড়ার অন্যতম কারণ বাল্যবিবাহ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন , বাল্যবিবাহের কারণে মাধ্যমিক স্তরে ছাত্রী ঝরে পড়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসনের লোকজন বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়ে আসার পরও অভিভাবকরা তাদের মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেন।
নিকলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কারার সাইফুল ইসলাম বলেন , এ মাস থেকেই উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা গুলোতে সপ্তাহে একদিন করে গিয়ে শিক্ষক , অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সভা করে তাদের সচেতনামূলক পরার্মশ দেওয়া হবে। নিকলী উপজেলাকে বাল্যবিবাহের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com