মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন সোনালী ব্যাংক ভানুগাছ শাখার একজন কর্মকর্তা (ক্যাশ) ও একজন নিরাপত্তাকর্মী আনসার সদস্য। শুক্রবার (১মে) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জনের মাধ্যমে আক্রান্ত দুজনকে নিজ নিজ বাসায় আলাদা কক্ষে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে ভানুগাছ বাজারের ১০ নম্বর সড়কটি লকডাউন করা হয়। আক্রান্ত দুজনের বাসা লকডাউন করে তাদের পরিবার সদস্যদের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। অন্যদিকে এ ব্যাংক শাখার সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক।
কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন,শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন ই-মেইলের মাধ্যমে তাকে জানিয়েছেন নতুন ফলাফলে কমলগঞ্জের ভানুগাছ বাজার শাখা সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা (ক্যাশ) ও একই শাখার এক নিরাপত্তাকর্মী আনসার সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। সাথে সাথে তিনি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। তবে তারা কিভাবে আক্রান্ত হয়েছে প্রাথমিকভাবে তা জানা যায়নি।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশেকুল হক বলেন, তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার মাধ্যমে ঘটনাটি নিশ্চিত হয়ে তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, থানার পুলিশ কর্মকর্তা, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়রসহ পুলিশের একটি দল নিয়ে করোনা আক্রান্ত দুইজনের বাসাকে লকডাইন করেছেন। আক্রান্ত দুইজনকে নিজ নিজ বাসার আলাদা কক্ষে আইসোলেশনে রাখা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ মুঠোফোনে আক্রান্তদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে কিভাবে তারা থাকবেন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উপদেশ দিচ্ছে। রাতের মধ্যেই সোনালী ব্যাংক ভানুগাছ শাখার সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগোযোগ করে তারা লকডাউনে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
সোনালী ব্যাংক ভানুগাছ শাখা লকডাউন হচ্ছে কিনা সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, এটি যেহেতু উপজেলা সদরের প্রধান শাখা এখানে সরকারি সকল প্রকার লেনদেন, বেতন-ভাতা প্রদান করা হয় সে বিষয়ে এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।