শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ক্ষুধা সূচকে ১২২ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ৮৪তম সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা পেলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক হোসেনপুরে নিরাপদ সড়ক চাইয়ের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিউ ইয়র্কে ইউনূসকে হেনস্তা: দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় ঢাকা হোসেনপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতে অনিয়ম, দোকানিকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা কিশোরগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি, পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত হোসেনপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত রাজশাহী রেঞ্জে সার্বিক মূল্যায়নে প্রথম নওগাঁ জেলা, শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম তাড়াইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আদালতের সাত শর্তে মুক্ত রহিমা মিয়া

মো: আল-আমীন
  • আপডেট সময় বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক সাদ্দাম হোসেন এক ব্যতিক্রমধর্মী অভিনব সাজার আদেশ দিয়েছেন। মাদকের এক মামলায় তিনি মো. রহিম মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে এক বছরের সাজা প্রদান করেন। বিচারক সাদ্দাম হোসেন দ্য প্রবেশন অব অফেনডার্স অর্ডিন্যান্স ১৯৬০ এর অনুচ্ছেদ (৫) মোতাবেক তাকে কারাগারে না পাঠিয়ে সংশোধনের জন্য একজন প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানের শর্তসাপেক্ষে নিজ বাড়িতে থেকে ঐ সাজা ভোগের ব্যক্তিক্রমী অভিনব এক আদেশ দিয়েছেন।

 

আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে এ রায় প্রদান করেন। রায়ে দুজন আসামীর মধ্যে মো. লালন মিয়া ওরফে লাল মিয়াকে বেকসুর খালাস ও মো. রহিম মিয়াকে সাতটি শর্তসাপেক্ষে নিজ বাড়িতে সাজা ভোগের আদেশ দেন। আসামী দুজনই কিশোরগঞ্জ সদরের নীলগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।

 

উল্লেখ্য যে, কারাগারের উপর চাপ কমানো এবং ‘সংশোধনমূলক’ সাজার নীতি কার্যকর করায় ১৯৬০ সালের একটি অব্যবহৃত আইনকে কার্যকর করতে বিচারকদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এর আওতায় অনেক দন্ডিত অপরাধী শর্ত সাপেক্ষে জেলের ঘাণি না টেনে মুক্ত জীবন যাপন করার সুযোগ পাবেন। দোষী সাবস্ত্য হলেই দন্ড পেতে বা জেলের ভাত খেতে হবে না।

 

আদালতসূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পুলিশের তত্ত্ব মোতাবেক মামলা পরিচালিত হয়ে আসছিল। আসামী পক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্কে আসামীদ্বয় মাদক আসক্ত বলে প্রমাণিত হয়। এতে আদালত সিদ্ধান্তে অবণত হয় যে, আসামীরা সঙ্গদোষে মাদকাসক্ত হয়েছিল। তাই আদালত আসামীদ্বয়কে বেকসুর খালাস দিলেও মো. রহিম মিয়াকে (৫৫) বয়স বিবেচনা করে প্রতি দুই মাস অন্তর অন্তর রিপোর্টের শর্ত সাপেক্ষে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত প্রবেশনে সাজা দেন। মো. রহিম মিয়া প্রতি মাসে নিজ জমিতে অথবা সরকারী রাস্তার ধারে কমপক্ষে দু’টি বৃক্ষ রোপন, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায়, মুক্তিযোদ্ধ বিষয়ক বাংলাদেশী সিনেমা দেখা ও দেশের প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ এমন কোনো অপরাধে লিপ্ত না হওয়া এরকম সাতটি শর্তসাপেক্ষে নিজ বাড়িতে সাজা ভোগ করবে।

 

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি এ্যাড. মো. ইফতেখারুল ইসলাম পাভেল জানান আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তবে প্রচলিত বিধান অনুযায়ী আসামীকে কারাদন্ড ভোগের পরিবর্তে এক বছরের জন্য সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রবেশন কর্মকর্তার হেফাজতে দেয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদকসেবীদের নির্মূল করার লক্ষে রায়টি একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। আসামীপক্ষের আইনজীবী এ্যাড. প্রদীপ চন্দ্র দে জানান ঘোষিত রায়ের কারণে সে ভালো পথে ফিরে আসার সুযোগ পাবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com