শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুলের ২৮৪ শতক জমি জব্দ, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, বিমানমন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে দুই মামলা ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে আইএসডিবির সঙ্গে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর বিষয়ে সতর্ক করল জাতিসংঘ ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে আইএসডিবির সঙ্গে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ১২৫২ রোগী তাড়াইলে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ, জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার সাবেক ২ সেনাসদস্যকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড নোটিস খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

আইন না মেনে পাকুন্দিয়ায় সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মাণ

মোঃ মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় শনিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৬১৭ বার পড়া হয়েছে

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মঠখোলা বাজারের উত্তর পাশে সরকারের ১/১ নম্বর খতিয়ান ভুক্ত অর্পিত জমি দখল করে নিয়েছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। সেখানে মাটি ভরাট করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছে তারা। চক্রের মূল হোতা স্থানীয় তালদশী গ্রামের রুছমত আলীর ছেলে বুলবুল ও চাঁন মিয়ার ছেলে কাঞ্চন মিয়া। এরই মধ্যে নির্মাণ কাজ অর্ধেকের বেশী শেষ হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে সম্প্রতি মঠখোলা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি রিপন মেম্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করার পরও বুলবুল ও কাঞ্চন তাদের নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ করছে না।

 

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, দখলকৃত জমির প্রকৃত মালিক মঠখোলা গ্রামের কালী কিশোর সাহার চার ছেলে যথাক্রমে অতুল চন্দ্র সাহা, কৈলাশ চন্দ্র সাহা, গোপাল চন্দ্র সাহা ও নেপাল চন্দ্র সাহা। তাদের মালিকানাধীন তালদশী মৌজার সাবেক ১৪১ ও ৩০৫ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৮৭৩, ৮৭৪ ও ৮৭৫ দাগে একটি পুকুরসহ মোট ১২৮ শতাংশ জমি রয়েছে। ১৯৬৯ সালের দিকে ওই চার ভাই তাদের পরিবার-পরিজনসহ এসব জমি এলাকায় রেখেই ভারত চলে যান। তারপর আর ফিরে আসেননি। পরবর্তীতে তাদেরই স্বজন দিপু সাহা ও বনিতা রানী সাহা যৌথভাবে এই জমি ভোগ দখল করে আসছেন। সম্প্রতি এলাকার প্রভাবশালী বুলবুল ও কাঞ্চন দলবল নিয়ে পুকুরটিসহ ৭৬ শতাংশ জমি অবৈধভাবে দখল করে নেয়। পরে তারা দখল করা জমিতে টিন ও ইট দিয়ে আধাপাকা স্থাপনা নির্মাণ শুরু করে। মঠখোলা বাজার বণিক সমিতির সদস্যরা এ কাজে বাধা দিলেও দখলকারীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় কারও বাধা মানে নি।

 

সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১০-১২ জন শ্রমিক দিয়ে নির্মানাধীন স্থাপনার কাজ চলছে বেশ দ্রুত গতিতে। এরই মধ্যে অর্ধেকের বেশী কাজ শেষ হয়ে গেছে। সে সময় এলাকাবাসী জানায়, প্রথমে তারা মৌখিকভাবে বাধা দিয়েছে। কিন্তু কোনও কথা শোনেনি তারা। পুরোদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বুলবুল ও কাঞ্চনের দল। পরে স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি বেশ কয়েকবার জানানো হলেও প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে না। যার ফলে নির্মাণ কাজ অনেকদূর এগিয়ে নিতে পেরেছে দখলকারীরা।

 

উপজেলার মঠখোলা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি ও এগারসিন্দুর ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. রিপন মিয়া বলেন, ৫০-৫৫ বছর আগে তালদশী মৌজায় ১২৮ শতাংশ জমি রেখে ইন্ডিয়া চলে গেছে জমির মালিকরা। আর ফিরে আসেনি। এই অর্পিত জমির মালিক বর্তমানে সরকার। এক বছরের বেশি সময়ের জন্য অর্পিত সম্পত্তি লিজ দেওয়ার নিয়ম নেই। এছাড়া লিজ নেওয়া সম্পত্তিতে কোন প্রকার স্থাপনা নির্মাণ করারও নিয়ম নেই। অথচ উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত বুলবুল মিয়া বলেন, আমরা ১৩ জন মিলে উপজেলা ভূমি অফিস থেকে দুই বছরের জন্য এই জমি লিজ নিয়েছি। তবে ঘর নির্মাণ করছি আমার কেনা জায়গায়। আমি দিপু সাহা ও বনিতা রানী সাহার কাছ থেকে ২২ শতাংশ জমি সাফ কাওলা মূলে কিনেছি।

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাহিদ হাসান বলেন, একটি পুকুরসহ ৭৬ শতাংশ জমি ১ বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়েছে। সেখানে কোনও স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে কিনা জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com