শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুলের ২৮৪ শতক জমি জব্দ, ৬ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, বিমানমন্ত্রীর গাড়ির বিরুদ্ধে দুই মামলা ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে আইএসডিবির সঙ্গে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর বিষয়ে সতর্ক করল জাতিসংঘ ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে আইএসডিবির সঙ্গে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ১২৫২ রোগী তাড়াইলে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকার অবৈধ চায়না দুয়ারী ও কারেন্ট জাল জব্দ, জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস কিশোরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে ২২ জন গ্রেফতার সাবেক ২ সেনাসদস্যকে ধরতে ইন্টারপোলের রেড নোটিস খেলাপি ঋণ ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়াল

পাকুন্দিয়ায় শিক্ষক নিয়োগে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ

মোঃ মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫২৩ বার পড়া হয়েছে

কিশোরঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার এগাসিন্দুর ঈশাখান আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অবৈধ ভাবে ওই প্রতিষ্ঠানে জাল সনদধারী দুইজন শিক্ষক ও একজন সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন এগারসিন্দুর গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেন ও নিয়োগ বঞ্চিতরা। এ ঘটনায় গতকাল রবিবার এগারসিন্দুর গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এগারসিন্দুর ঈশাখান আলিম মাদরাসায় একজন উপাধ্যক্ষ ও একজন সহকারী গ্রন্থাগারিকসহ বিভিন্ন পদে পাঁচজন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ৪ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৬জন প্রার্থী আবেদন করেন। অভিযোগ উঠেছে মাদরাসার অধ্যক্ষ ও মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নিয়োগ প্রক্রিয়ার আগেই তাদের পছন্দের প্রার্থী উপজেলার এগারসিন্দুর গ্রামের হাবিবুল্লার সঙ্গে ১০ লাখ টাকার চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করায় তাকে সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ হাবিবুল্লার গ্রন্থাগারিক সনদটি জাল। এছাড়াও গত পাঁচ বছর আগে ওই মাদরাসায় প্রভাষক পদে নাফিউল হক শরীফ (ইনডেক্স নম্বর-২১১৫০৯৭) ও সহকারী মৌলভী মাসুদ মিয়া (ইনডেক্স নম্বর- ২১০৯৩৪৬) নামের দুইজন শিক্ষককে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই দুইজন শিক্ষকও জাল সনদপত্র দিয়ে চাকুরী নিয়েছেন। এ পরিস্থিতে নিয়োগ বন্ধসহ জাল সনদপত্র গুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গতকাল রবিবার উপজেলা নির্বাহ কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করে নিয়োগ বঞ্চিতরা।

 

অভিযোগকারীদের পক্ষে এগারসিন্দুর গ্রামের জাকির হোসেন বলেন, মাদরাসার অধ্যক্ষ ও সভাপতি মিলে গোপনে হাবিবুল্লার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, গ্রন্থাগারিক পদের জন্য আমার কাছে সভাপতি আবদুল মালেক ৮ লাখ টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় আমাকে চাকুরী দেওয়া হয়নি। ১০ লাখ টাকা পেয়ে হাবিবুল্লাহকে চাকুরী দেওয়া হয়েছে।

মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, কোন প্রার্থীর কাছ থেকে উৎকোচ নেওয়া হয়নি। নিয়োগ বোর্ড যাকে নিয়োগ দিয়েছেন তার সনদ যাচাই-বাছাই করে সঠিক পেয়েছেন। তাই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

 

মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবদুল মালেক বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। নিয়োগ বোর্ডর সদস্যরা উপস্থিত সকলের সনদপত্রই যাচাই-বাছাই করে দেখেছেন। সনদপত্র সঠিক পেয়েই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি সন্দেহ থাকে তাহলে সেটা শিক্ষা বিভাগ যাচাই-বাছাই করে দেখবে।

 

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুন্নাহার মাকসুদা অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিল হবে। অন্যথায় নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com