বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলোকে রংপুর-রাজশাহীর পর চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নবমীর আরতিতে আনন্দ-বিষাদ, দশমীর অপেক্ষায় ঢাকেশ্বরী কিশোরগঞ্জে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ইশরাকের পদত্যাগপত্র পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আজই প্রজ্ঞাপন হতে পারে সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির নিয়োগ বাতিল তাড়াইলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হরিজন ও জেলে সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ বদলগাছীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে ৪০০ দুস্থের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন বদলগাছীতে হত্যা চেষ্টার আসামিদের বাঁচাতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

পাকুন্দিয়ায় শিক্ষক নিয়োগে ঘুষ-বাণিজ্যের অভিযোগ

মোঃ মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

কিশোরঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার এগাসিন্দুর ঈশাখান আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অবৈধ ভাবে ওই প্রতিষ্ঠানে জাল সনদধারী দুইজন শিক্ষক ও একজন সহকারী গ্রন্থাগারিক নিয়োগসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন এগারসিন্দুর গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেন ও নিয়োগ বঞ্চিতরা। এ ঘটনায় গতকাল রবিবার এগারসিন্দুর গ্রামের বাসিন্দা জাকির হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর এগারসিন্দুর ঈশাখান আলিম মাদরাসায় একজন উপাধ্যক্ষ ও একজন সহকারী গ্রন্থাগারিকসহ বিভিন্ন পদে পাঁচজন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ৪ ফেব্রুয়ারি নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৬জন প্রার্থী আবেদন করেন। অভিযোগ উঠেছে মাদরাসার অধ্যক্ষ ও মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নিয়োগ প্রক্রিয়ার আগেই তাদের পছন্দের প্রার্থী উপজেলার এগারসিন্দুর গ্রামের হাবিবুল্লার সঙ্গে ১০ লাখ টাকার চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করায় তাকে সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। অথচ হাবিবুল্লার গ্রন্থাগারিক সনদটি জাল। এছাড়াও গত পাঁচ বছর আগে ওই মাদরাসায় প্রভাষক পদে নাফিউল হক শরীফ (ইনডেক্স নম্বর-২১১৫০৯৭) ও সহকারী মৌলভী মাসুদ মিয়া (ইনডেক্স নম্বর- ২১০৯৩৪৬) নামের দুইজন শিক্ষককে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই দুইজন শিক্ষকও জাল সনদপত্র দিয়ে চাকুরী নিয়েছেন। এ পরিস্থিতে নিয়োগ বন্ধসহ জাল সনদপত্র গুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গতকাল রবিবার উপজেলা নির্বাহ কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করে নিয়োগ বঞ্চিতরা।

 

অভিযোগকারীদের পক্ষে এগারসিন্দুর গ্রামের জাকির হোসেন বলেন, মাদরাসার অধ্যক্ষ ও সভাপতি মিলে গোপনে হাবিবুল্লার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, গ্রন্থাগারিক পদের জন্য আমার কাছে সভাপতি আবদুল মালেক ৮ লাখ টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু আমি তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় আমাকে চাকুরী দেওয়া হয়নি। ১০ লাখ টাকা পেয়ে হাবিবুল্লাহকে চাকুরী দেওয়া হয়েছে।

মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, কোন প্রার্থীর কাছ থেকে উৎকোচ নেওয়া হয়নি। নিয়োগ বোর্ড যাকে নিয়োগ দিয়েছেন তার সনদ যাচাই-বাছাই করে সঠিক পেয়েছেন। তাই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

 

মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আবদুল মালেক বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। নিয়োগ বোর্ডর সদস্যরা উপস্থিত সকলের সনদপত্রই যাচাই-বাছাই করে দেখেছেন। সনদপত্র সঠিক পেয়েই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এরপরও যদি সন্দেহ থাকে তাহলে সেটা শিক্ষা বিভাগ যাচাই-বাছাই করে দেখবে।

 

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুন্নাহার মাকসুদা অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নিয়োগ বাতিল হবে। অন্যথায় নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com