শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দাম্মামের সব ফ্লাইট তিন দিন বন্ধ, রিয়াদ রুটে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত কিশোরগঞ্জে দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান বদলগাছীতে রাতের আঁধারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার ভাঙচুর, এলাকায় ক্ষোভ হোসেনপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতার আহ্বান কিশোরগঞ্জে পাগলা শিয়ালের আক্রমণে নারী-শিশুসহ আহত ৩, ছাগলও রেহাই পায়নি দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে গাড়িচাপায় দুই পা হারিয়েছেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস রাস্তার পাশে খাবারের দোকানেও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে সাগরে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও তিন বদলগাছীতে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে এতিম শিশুদের নতুন টাকা উপহার দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নয়ন

মাদরাসা ছাত্রীকে নির্যাতন, ৩ শিক্ষক কারাগারে

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে
মাদরাসা ছাত্রীকে নির্যাতন, ৩ শিক্ষক কারাগারে

নাটোরে রান্নার করা গরম ভাত ও ভাতের মাড়ের উপর ফেলে ছাত্রীর শরীর ঝলসে দেওয়ার মামলায় মাদরাসার ৩ শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সদর উলুপুর গ্রামের তালেমুন নেছা হাফিজিয়া মহিলা মাদরাসা প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক মো. বাবুল হোসেন, তার ছেলে মাদরাসার বর্তমান প্রধান মোহতামিম মাওলানা সোহরাব হোসেন এবং তার স্ত্রী সালমা বেগম।

এর আগে বুধবার সদরের চরলক্ষীকোল গ্রামের ইমরান আলী নাটোর থানায় লিখিত অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত সোহবার হোসেন, তার স্ত্রী সালমা বেগম ও তার বাবা মো. বাবুল তাদের বাড়িতেই দীর্ঘদিন থেকে একটি মাদরাসা পরিচালনা করেন। তিন বছর আগে বাদী তার মেয়ে ইয়াসমিন খাতুনকে (১১) ওই মাদরাসায় ভর্তি করেন।

মাদরাসায় নিয়মিত বাচ্চা মেয়েদের দিয়ে ভাত রান্নাসহ শিক্ষক তার পরিবারের সব কাজ করান। গত ২৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার আগে তার মেয়ে ভাত রান্না করে পাতিল নিয়ে ঘরে ঢুকার সময় পড়ে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা সোহবার হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগম তার মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে গরম ভাত ও ভাতের মাড়ের উপর ফেলে দেয়। ফলে ইয়াসমিনের শরীরের বিভিন্ন স্থান পুড়ে ঝলসে যায়।

এ ঘটনার পর সোহবার হোসেন ও তার স্ত্রী সালমা বেগম গুরুতর অসুস্থ ছাত্রীকে হাসপাতালে না নিয়ে বাড়িতে আটকে রাখেন। চারদিন পর ২৮ সেপ্টেম্বর লোকমুখে খবর পেয়ে তিনি লোকজন নিয়ে এসে মেয়েকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। মাদরাসায় সব বাচ্চাদের দিয়েই এভাবে কাজ করানো হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

নাটোর থানার ওসি মুনসুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে অভিযুক্ত তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাটোর থানায় নিয়ে আনা হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাদেরকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com