মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত মো. হাসান খান (২৪) বাঁচতে চান। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট করাতে হবে। এজন্য দরকার প্রায় ১৬ লাখ টাকা। প্রাথমিক ভাবে তিনি ভারতের চেন্নাই বেলুর ক্রিষ্টিয়ান মেডিল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা গ্রহন করছেন। চার বছর ধরে চিকিৎসায় তার পরিবার অনেকটাই নিঃস্ব। চিকিৎসার ব্যয় বহন করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ৪বছরের শিশুসন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে বাঁচার আকুতি জানিয়েছেন হাসান খান।
হাসান খানের বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার নিশ্চিন্তপুরের ইটারঘাট গ্রামে। বাবার নাম মো. আকবর খান (৭০)। বাবা অলডিং মেসতরী। এখন বয়স হয়ে যাওয়ায় কাজ করতে পারেন না। ভিটেবাড়ি ছাড়া জমিজমা বলতে কিছু নেই তাদের, যা ছিল হাসানের চিকিৎসায় বিক্রি করতে হয়েছে।
হাসান খানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে থেকে অসুস্থ তিনি। ২০১৮ সালে তার ব্লাড ক্যানসার ধরা পড়ে। প্রথমদিকে ঢাকা ল্যাভ এ্যাইড হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। চার বছরে চিকিৎসায় প্রতি মাসে তার অন্তত ৩০ হাজার করে টাকা খরচ হয়েছে। শরীরে রক্ত উৎপাদন না হওয়ায় প্রতি মাসে তাকে ৫ ব্যাগ করে রক্ত দিতে হচ্ছে।
ঢাকায় বেশ কয়েকটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন হাসান খান। সর্বশেষ চিকিৎসা নিয়েছেন ভারতের চেন্নাই বেলুর ক্রিষ্টিয়ান মেডিল কলেজ হাসপাতালে। এখানকার চিকিৎকরা তার বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের কথা জানিয়েছেন। যে চিকিৎসায় প্রায় ১৬ লাখ টাকা খরচ হবে।
এসব কথা বলতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন হাসান খান। তিনি বলেন, অন্তত আমার ৪ বছরের শিশুসন্তানের জন্য হলেও বাঁচতে চাই। আমি সমাজের বিত্তবানদের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। আপনারা এগিয়ে আসলে আমার চিকিৎসা সম্ভব। আমি শিশুসন্তানকে আলো দেখাতে চাই।
তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত আমার চিকিৎসায় প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ধারদেনা করে চিকিৎসা করিয়েছি। এখনও ঋণ আছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। আমার পরিবারও নিঃস্ব। তারা আর ব্যয় বহন করতে পারছে না। এ অবস্থায় বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছি।
মো. হাসান খান অর্থসহায়তা পাঠাতে পারেন এই ঠিকানায়
বিকাশ ও নগদ নাম্বারঃ- ০১৭৬৭৬২২২৫৩
ব্যাংক হিসাব নাম্বারঃ-
পুবালী ব্যাংক,শমশেরনগর শাখা,কমলগঞ্জ,মৌলভীবাজার।
গফ ঐধংধহ শযধহ
১২৮৪১০১১৪৪৫৬৬