কিশোরগঞ্জে এক ব্যতিক্রমী ও বর্ণাঢ্য পদযাত্রার সাক্ষী হয়েছে শহরবাসী। সাহাবীগণের নামে নামকরণ করা শহরের আটটি পয়েন্ট থেকে একই সময়ে শুরু হওয়া পদযাত্রা একত্রিত হয় রথখলা ময়দানে। পরে সব নাম একীভূত হয়ে শুরু হয় মূল পদযাত্রা।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম), বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে এই বর্ণাঢ্য পদযাত্রার আয়োজন করে ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী ফ্যান’স। নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ভিপি ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী।
পদযাত্রার সামনে জাতীয় পতাকা হাতে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও জুলাই আন্দোলনের (ক্যাটাগরি-এ) দুই চোখে গুলিবিদ্ধ মো. শাওন। দলীয় পতাকা হাতে ছিলেন ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে টানা ১০ দিন রিমান্ডে থাকা ও ১৭ মাস কারাভোগ করা মো. রুহুল আমিন। লাল পতাকা হাতে ছিলেন একচোখ হারানো জুলাইযোদ্ধা মো. জাহিদুল ইসলাম নিরব। ধানের শীষের প্রতীকী তোড়া বহন করেন মাথায় গুলিবিদ্ধ জুলাইযোদ্ধা মো. মামুন মিয়া।

পদযাত্রার পুরো আয়োজনজুড়ে মুখর ছিল স্লোগান “রাব্বানী ভাই ভালো লোক, মনোনয়ন তারই হোক।” অংশগ্রহণকারীরা এ স্লোগান লেখা ফেস্টুন ও ব্যানারও বহন করেন।
এর আগে শহরকে আটটি অঞ্চলে ভাগ করে সাহাবীদের নামে প্রতিটি অঞ্চল থেকে পৃথকভাবে পদযাত্রা শুরু হয়।
সবগুলো পদযাত্রা একত্রিত হয় রথখলা ময়দানে, যেখান থেকে হযরত হামযা ইবনে আব্দুল মোত্তালিব (রা.) নামে মূল পদযাত্রা শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় রথখলাতেই এসে সমাপ্ত হয়।
এই ব্যতিক্রমী পদযাত্রায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, আইনজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় ২০ হাজার মানুষ অংশ নেন।