কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় নিজ শয়নকক্ষ থেকে হাফছা আক্তার(১৯) নামের এক গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ।
গৃহবধূ হাফছা আক্তার উপজেলার এগার সিন্ধু র ইউনিয়নের বাহাদিয়া গ্রামের সজিব মিয়ার স্ত্রী। সজিব মিয়া পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী। বর্তমানে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে মির্জাপুর বাজার এলাকার শামসুল আলম গোলাপ মিয়ার বাসায় ভাড়া থাকতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৯মাস আগে পারিবারিকভাবে সজিব মিয়ার সঙ্গে উপজেলার কাহেৎধান্দুল গ্রামের হেলাল উদ্দীনের মেয়ে হাফছা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবন ভালোই চলছিল। শুক্রবার সকালে সজিব মিয়া কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে চলে যান। কাজ শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাসায় ফিরে দেখেন রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। স্ত্রীকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে রুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে দেখেন জানালার গ্রিলের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলে আছে। তার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
.
পাকুন্দিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহালের কাজ শেষ করি। পরে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য রাতেই কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। কি কারণে আত্মহত্যা করেছে তা জানা যায়নি।