বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে গাড়িচাপায় দুই পা হারিয়েছেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস রাস্তার পাশে খাবারের দোকানেও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে সাগরে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও তিন বদলগাছীতে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে এতিম শিশুদের নতুন টাকা উপহার দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নয়ন বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলোকে রংপুর-রাজশাহীর পর চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নবমীর আরতিতে আনন্দ-বিষাদ, দশমীর অপেক্ষায় ঢাকেশ্বরী কিশোরগঞ্জে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ইশরাকের পদত্যাগপত্র পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আজই প্রজ্ঞাপন হতে পারে

দক্ষিণ কোরিয়ায় গাড়ির যন্ত্রাংশ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ১১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে
দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর ডেজনের একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৩ জন। শনিবার (২১ মার্চ) পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। বার্তা সংস্থা এএফপি ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। নাতাঞ্জ পারমাণবিক কেন্দ্রে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। ইয়োনহাপ জানায়, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার ভেতরে প্রায় ১৭০ জন কর্মী কাজ করছিলেন। তবে কারখানার ভেতরে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম মজুত থাকায় এবং ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় শুরুতে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি দমকল কর্মীরা। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শনিবার বিকেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অগ্নিকাণ্ড ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ২৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। বাকি ৩৪ জন সামান্য আহত হয়েছেন। নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে স্থানীয়রা আগুন লাগার সময় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উদ্ধার অভিযানে সর্বোচ্চ জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। দক্ষিণ কোরিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিল্প কারখানায় প্রাণহানি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সরকারি তথ্যমতে, ২০০০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কর্মস্থলে ১০ হাজারের বেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে সিউলের অদূরে একটি লিথিয়াম ব্যাটারি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ২২ জন নিহত হয়েছিলেন। গত সেপ্টেম্বরে ওই ঘটনার দায়ে ব্যাটারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘অ্যারিসেল’-এর প্রধান নির্বাহীকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেয় দেশটির একটি আদালত।

দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর ডেজনের একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক মানুষ, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অন্তত ৩ জন।

শনিবার (২১ মার্চ) পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা। বার্তা সংস্থা এএফপি ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে কারখানাটিতে আগুন লাগে। ইয়োনহাপ জানায়, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার ভেতরে প্রায় ১৭০ জন কর্মী কাজ করছিলেন। তবে কারখানার ভেতরে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম মজুত থাকায় এবং ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় শুরুতে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি দমকল কর্মীরা। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শনিবার বিকেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অগ্নিকাণ্ড ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ২৫ জনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। বাকি ৩৪ জন সামান্য আহত হয়েছেন। নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে স্থানীয়রা আগুন লাগার সময় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন বলে জানিয়েছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উদ্ধার অভিযানে সর্বোচ্চ জনবল ও সরঞ্জাম ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

দক্ষিণ কোরিয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শিল্প কারখানায় প্রাণহানি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। সরকারি তথ্যমতে, ২০০০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে কর্মস্থলে ১০ হাজারের বেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে সিউলের অদূরে একটি লিথিয়াম ব্যাটারি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ২২ জন নিহত হয়েছিলেন। গত সেপ্টেম্বরে ওই ঘটনার দায়ে ব্যাটারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘অ্যারিসেল’-এর প্রধান নির্বাহীকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেয় দেশটির একটি আদালত।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com