শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
দাম্মামের সব ফ্লাইট তিন দিন বন্ধ, রিয়াদ রুটে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত কিশোরগঞ্জে দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান বদলগাছীতে রাতের আঁধারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার ভাঙচুর, এলাকায় ক্ষোভ হোসেনপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতার আহ্বান কিশোরগঞ্জে পাগলা শিয়ালের আক্রমণে নারী-শিশুসহ আহত ৩, ছাগলও রেহাই পায়নি দাম্মামে বিমানের ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর চালু হচ্ছে রিয়াদে গাড়িচাপায় দুই পা হারিয়েছেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস রাস্তার পাশে খাবারের দোকানেও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক কক্সবাজারে সাগরে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও তিন বদলগাছীতে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে এতিম শিশুদের নতুন টাকা উপহার দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নয়ন

বোরো আবাদে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’; ডিজেল সংকটে তাড়াইল উপজেলার কৃষকদের সেচ কার্যক্রম ব্যাহত

রুহুল আমিন, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

সারের মূল্যবৃদ্ধির পর এবার ডিজেল সংকটে নাজেহাল হয়ে পড়েছেন তাড়াইল উপজেলার কৃষকরা। বোরো চাষের ভরা মৌসুমে অতিরিক্ত দামে ডিজেল কিনে সেচ দিতে গিয়ে উৎপাদন খরচ আকাশচুম্বী হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উপজেলার হাজারো চাষি। এতে ধানের ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কৃষকদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় সারের দাম বস্তাপ্রতি ক্ষেত্রবিশেষে হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এর ওপর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে তৈরি হওয়া ডিজেল সংকট কৃষকদের জন্য ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক কৃষক টাকা ও বোতল নিয়ে গ্রামের খুচরা দোকান থেকে ৫০-৬০ টাকা অতিরিক্ত দামে অল্প পরিমাণ ডিজেল কিনছেন। তবে সেটিও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

আবদুর রশিদ, হারিছ মিয়া, বাচ্চু মিয়া ও আলতু মিয়াসহ কয়েকজন কৃষক জানান, এক বিঘা জমির ধান উৎপাদনে কমপক্ষে ৫০ লিটার ডিজেল লাগে, কোথাও কোথাও এর চেয়েও বেশি। প্রায় তিন মাস ধরে সেচ দিতে হয়। বর্তমান বাজারদরে বিঘাপ্রতি সেচ খরচ দাঁড়ায় ৫-৬ হাজার টাকা। খোলা বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হলে অতিরিক্ত আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা ব্যয় হয়।

তারা আরও বলেন, সার, কীটনাশক, আগাছা পরিষ্কার ও শ্রমিক খরচসহ এক বিঘা জমির ধান ঘরে তুলতে মোট ব্যয় হয় প্রায় ২০ হাজার টাকা। বিপরীতে প্রতি মণ ধান বিক্রি হয় ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকায়। বিঘায় ফলন হয় ২২-২৩ মণ, তবে সব খরচ বাদ দিলে প্রায় ২০ মণ ধান অবশিষ্ট থাকে। এতে মোটামুটি ২০ হাজার টাকাই আয় হয়, ফলে লাভের মুখ দেখেন না কৃষকরা।

কৃষকদের দাবি, ধান আবাদ করে খড় ছাড়া তেমন কোনো লাভ নেই। এর মধ্যে আবাদ ব্যয় বাড়তে থাকায় তারা চরম অসহায়ত্বে ভুগছেন। তাদের অভিযোগ, বাস্তবে তাদের সমস্যার প্রতি তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না।

এ বিষয়ে তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায় জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাড়াইল উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ হাজার ৩৬৫ হেক্টর। এর বিপরীতে আবাদ হয়েছে ১০ হাজার ৪২০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমিতে ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে হাওড় এলাকায় ধান দানা পর্যায়ে রয়েছে এবং নন-হাওড় এলাকায় থোড় অবস্থায় আছে। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের কারণে এখন সেচের তেমন প্রয়োজন নেই।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com