শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন ‘দুঃখজনক ও লজ্জাজনক’: ধর্মমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন ‘দুঃখজনক ও লজ্জাজনক’: ধর্মমন্ত্রী

মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনাগুলোকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে জুমার খুতবায় সচেতনতামূলক আলোচনা করার জন্য ইমামদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে শনিবার জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

গাজীপুরের টঙ্গীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সম্প্রতি মাদ্রাসায় ধর্ষণ-নিপীড়ন ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড ঘিরে তৈরি হওয়া দেশব্যাপী সমালোচনা ও বিতর্ক নিয়ে সরকারের পদক্ষেপ জানতে চান সাংবাদিকেরা।

জবাবে ধর্মমন্ত্রী বলেন, “আমি একটু চিকিৎসার জন্য বাইরে ছিলাম। ওখান থেকেও কিছুটা লক্ষ্য করেছি, দেশে এসেও লক্ষ্য করেছি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাস্কর।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ভবিষ্যতে এই জিনিসটা ঘটবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। আমরা সেই ব্যাপারে যা করা প্রয়োজন, তাই করব, ইনশাআল্লাহ।”

এ ধরনের অপরাধ ও বিতর্ক রোধে মসজিদ থেকে সচেতনতা সৃষ্টির তাগিদ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করেছেন, একটু আগে আমি আমার বক্তৃতায় বলেছি ইমাম সাহেবদের, আপনারা খুতবায় এই বিষয়গুলি তুলে আনবেন। কারণ ইমাম সাহেবরা যদি খুতবায় এই বিষয়গুলি উল্লেখ করে এবং শরীয়তের নির্দেশ অনুযায়ী কোনটা হারাম, কোনটা হালাল, কোনটা কী, এগুলি বোঝায়, এটা অনেক কাজে লাগবে।”

বিষয়টিতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে মন্ত্রীর ভাষ্য, “আমরা চেষ্টা করতেছি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন। উনি আমাদের নির্দেশনাও দিয়েছেন যাতে এ জিনিসগুলি থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারি, জনগণ বেঁচে থাকতে পারে।”

বক্তব্যের একপর্যায়ে আলেম-ওলামাদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে মন্ত্রী কায়কোবাদ বলেন, “ইমামদের জন্য যদি দরকার হয় গায়ের রক্ত হলেও দিতে দ্বিধাবোধ করব না। শুধু ইমামগণ নয়, এ দেশের আলেম, কওমি, ওলামা কেরাম যারা আছেন, যারা ইসলামের ধারক-বাহক, তাদের জন্য যদি রক্ত দিতে হয় তাও রক্ত দেব ইনশাআল্লাহ।”

এর আগে সম্মেলনে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের আর্থিক সুরক্ষা ও সামাজিক মর্যাদা বাড়াতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন ধর্মমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবকদের সম্মানি দেওয়ার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পর্যায়ক্রমে সম্মানি ভাতা দেওয়া শুরু হয়েছে।

“২০২৬-২৭ অর্থবছরে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন খাতে ১১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের ৩ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ধর্মীয় নেতাদের পর্যায়ক্রমে সরকারি সম্মানি কাঠামোর আওতায় আনা হবে।”

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com