শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
তুরস্কে গুলিতে নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকুন্দিয়ায় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২৯ দিন পর ঢাকায় গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে ১৫ কেজি গাঁজা ও নগদ টাকাসহ যুবক গ্রেপ্তার এলএনজি বিদ্যুতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, নতুন বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন রোনালদো

স্কুল ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে এনে ধর্ষণ

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৮
  • ৯২৯ বার পড়া হয়েছে

দেশ রিপোর্ট : ১০ম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রীকে রাস্তা থেকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে এনে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপুর্যুপুরি ধর্ষণের পর সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার পৌর শহরের জালালীয়া সড়কের একটি গেস্ট হাউসে বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) এ ঘটনাটি ঘটেছে।
ঘটনার দুইদিন পর গত শনিবার (১৯ আগষ্ট) রাতে এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ৭/৯(১)৩০ ধারায় ওই স্কুল ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে ৪ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
তারা হলো – পৌর শহরের জালালীয়া রোডের বাসিন্দা বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো.সাদ্দাম (২৫), শহরতলীর রামনগর বস্তির সিদ্দেক মিয়ার ছেলে শাহীন মিয়া(২২), একই এলাকার মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে মো.ওয়াহিদ মিয়া(২২) ও সিন্দুরখাঁন রোডের বিল্লাল মিয়ার ছেলে ইউসুফ মিয়া(২৫)।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাদ্দাম পেশায় একজন মোবাইল মেকার। শহরের মক্কা সুপার মার্কেটে একটি দোকানে কাজ করে।
অথচ ধর্ষক দাবি করছে, মেয়ের সাথে তার প্রেম ছিল। সে জানায় ধর্ষণের কোনও ঘটনাই ঘটেনি ও মামলার পুরো এজহার মিথ্যা ও বানোয়াট।
ধর্ষিতা স্কুল ছাত্রীর পিতা মো.ওয়াছিল ওরফে কালা মিয়া উপজেলার রামনগর গাজীপুর বস্তির বাসিন্দা। তিনি মামলার লিখিত এজহারে উল্লেখ করেন, ‘তাঁর মেয়ের বয়স ১৭ বৎসর। ঘটনার দিন ১৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টারদিকে মেয়ের মা কুলসুমা বেগমসহ সাইটুলা গ্রামে নানা বাড়ী হতে বাসায় আসার পথে কালীঘাট সড়কের ফুলছড়া রাস্তার মূখে জীপগাড়ী হতে নামিয়া পায়ে হাঁটা অবস্থায় হঠাৎ পিছনদিক হতে একটি সাদা কার গাড়ী আসিয়া আমার মেয়েকে ঝাঁপটে ধরে গাড়ীতে তুলে নিয়ে চলে যায়। এরপর উল্লেখিত আসামিগনের একে অপরের সহযোগীতায় তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জালালীয়া সড়কের একটি গেস্ট হাউসে নিয়ে বখাটে সাদ্দাম ধর্ষণ করে। এতে সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তারা তাকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে রেখে চলে যায়। এরই মধ্যে আমার স্ত্রীর মোবাইলে কে বা কারা কল দিয়ে জানায় আমার মেয়ে হাসপাতালে আছে। এ খবর শুনে আমি দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার মেয়ে চিকিৎসাধীন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি দেখে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসার একদিন পর আমার মেয়ের জ্ঞান ফিরলে বিস্তারিত ঘটনা জানায়’।
এদিকে রোববার বিকেলে চারটারদিকে মামলার ১ নম্বর আসামি মো.সাদ্দাম স্বেচ্ছায় থানায় আত্মসমর্পন করেছে বলে জানিয়েছেন শ্রীমঙ্গল থানার ওসি কে এম নজরুল। আজ সোমবার সকালে আদালতে পাঠানো হবে। ওসি নজরুল বলেন, ‘সাদ্দাম উল্টো থানায় এসে বলে পুলিশ আমাকে খোঁজে কিতার লাগি। বলা হয় তোমার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। তখন সে বলে মেয়ের সাথে আমার প্রেম ছিল। ওই স্কুল ছাত্রী ঘটনারদিন বিকেলে রামনগর বস্তির নীলকন্ঠ চা কেবিনের সংলগ্ন রাবার বাগানে আমাকে ডেকে নিয়ে তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। আমি বলছি আমার এখন বয়স হয়নি। পরে আমি তাকে দুইটা চড় দিয়েছি। এরপর মেয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে। আমিও ফালাই দিয়ে চলে আসি’। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় গেস্ট হাউসে ধর্ষণের কোনও ঘটনাই ঘটেনি ও মামলার পুরো এজহার মিথ্যা ও বানোয়াট বলে সাদ্দাম দাবী করেছে বলে যোগ করেন ওসি’। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী পুলিশের উপ পরিদর্শক অনিক বড়ুয়া বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট ২ নং আমলী আদালতে ২২ ধারায় ভিকটিমের জবানবন্দী নেওয়া হয়। সে এখন সুস্থ্য রয়েছে। খাওয়া দাওয়া হাঁটাচলা করতে পারছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com