বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৬ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলোকে রংপুর-রাজশাহীর পর চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নবমীর আরতিতে আনন্দ-বিষাদ, দশমীর অপেক্ষায় ঢাকেশ্বরী কিশোরগঞ্জে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ইশরাকের পদত্যাগপত্র পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আজই প্রজ্ঞাপন হতে পারে সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির নিয়োগ বাতিল তাড়াইলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হরিজন ও জেলে সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ বদলগাছীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে ৪০০ দুস্থের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন বদলগাছীতে হত্যা চেষ্টার আসামিদের বাঁচাতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

৮০ টাকার ভাড়া ৩০০ টাকা

ওয়ান নিউজ 24 বিডি ডেস্ক
  • আপডেট সময় শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৯
  • ৫৪৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক :

মনির হোসেন যাবেন মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে। গাবতলী থেকে এই রুটের ভাড়া এমনিতে ৮০ টাকা। কিন্তু ঈদের আগে আগে তিন গুণেরও বেশি ভাড়া চাইছেন বাস শ্রমিকরা।

মনির বলেন, ‘এই রুটের বাস চালানো হচ্ছে পাটুরিয়া রুটে। আর যে কয়টি বাস আছে, তাও ভাড়া চাচ্ছে প্রায় তিনগুণ।’

‘হরিরামপুর ভাড়া ৮০ টাকা। কিন্তু এখন ভাড়া চাচ্ছে তিনশ টাকা। আর গাড়িও কম। এই রাস্তার গাড়ি চালাচ্ছে পাটুরিয়ার দিকে। ওই রাস্তায় ভাড়া বেশি।’

হরিরামপুর রুটের শুকতারা পরিবহণ ও ভিলেজ পরিবহণ বর্তমানে চলাচল করছে পাটুরিয়া ফেরিঘাট রুটে। ভাড়া ৩০০ টাকা। ফলে পাটুরিয়া রুটের যাত্রীরা বাস পেলেও ভোগান্তি বাড়ছে অন্যান্য রুটগুলোতে।

এটি কেবল একটি রুটের চিত্র না। ঈদের আগে আগে প্রতিবার বাস ভাড়া যেভাবে দ্বিগুণ-তিনগুণ হয়ে যায়, এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসার সময় ফাঁকা আসতে হয়। আবার যানজটের কারণে জ্বালানি খরচ বেশি হয়। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের বোনাস দিতে হয়। তাই এমনিতে ভাড়া বেশি মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে মালিকপক্ষেরও খুব বেশি লাভ হয় এমন নয়।

রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ। যাত্রীর তুলনায় নেই পর্যাপ্ত বাস। আগাম টিকেট নিয়েছেন এমন যাত্রীরা বাস পাচ্ছেন, কিন্তু যারা আগে থেকে টিকিট নেননি তাদের বাস পেতে সমস্যা হচ্ছে।

কোনো রুটে বাস আসলেই তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন যাত্রীরা। আর পরিবহন শ্রমিকরা আগেই চিৎকার করে জানিয়ে দিচ্ছেন ভাড়া বেশি।

কেবল গাবতলী টার্মিনাল নয়, রাজধানীর সায়েদাবাদ ও মহাখালী টার্মিনালেরও একই চিত্র। আগাম টিকিট যারা কেটে রেখেছিলেন, তারা বাদে বাকি সবাইকে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি দেওয়ার শর্ত মেনেই উঠতে হচ্ছে বাসে।

সায়দাবাদ থেকে নোয়াখালীগামী যাত্রী দীন ইসলাম জানান, আল বারাকা পরিবহনের হিমালয় এক্সপ্রেসে নোয়াখালীর ভাড়া এমনিতে ৩০০ টাকা। কিন্তু মালামালসহ তার কাছ থেকে রাখা হয়েছে এক হাজার ৩০০ টাকা। রসিদসহ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে তিনি অনলাইনে একটি অভিযোগও জমা দিয়েছেন।

একই রুটের লাল সবুজ পরিবহনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসে ভাড়া নেয়া হচ্ছে সাতশ টাকা আর নন এসিতে ছয়শ টাকা। স্বাভাবিক সময়ে ভাড়া যথাক্রমে চারশ ও তিনশ টাকা।

রাজধানীর আবদুল্লাহপুর থেকে টাঙ্গাইল সদরের ভাড়া বাস ভেদে এক থেকে দেড়শ টাকা। ঢাকার অভ্যন্তরীণ রুটে চলা বিকাশ পরিবহনের লক্করঝক্কর একটি বাসের চালকের সহকারী ভাড়া হাঁকছিল ‘টাঙ্গাইল, পাঁচশ’, ‘টাঙ্গাইল পাঁচশ’ বলে।

অতিরিক্ত ভাড়া দিতে মনে মনে আপত্তি থাকলেও কিছু করার নেই জেনে তা সয়েই বাড়ি যাচ্ছেন হাজারো যাত্রী। কেউ কেউ অবশ্য আইনি ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করেছেন। একজন যাত্রী পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে অভিযোগও দিয়েছেন। কিন্তু সেখান থেকে কোনো আশ্বাস বা ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

ঈদের তিন দিন বাকি থাকলেও কার্যত ছুটি শুরু হয়ে গেছে। রবিবার থেকে তিন দিন ঈদের ছুটি। আর আগের শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ। তাই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই ঢাকা ছাড়ছে মানুষ দলে দলে।

শুক্রবার সকাল থেকে গাবতলী, মহাখালী টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রয়েছে হাজার হাজার মানুষ। আর অপেক্ষমান এসকল যাত্রীদের অধিকাংশই দেশের উত্তরবঙ্গমুখী।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টার্মিনালে আসলেই বাস পাওয়া যাবে। এমন ধারণা থেকে তারা আগাম টিকেট নেননি। আর তারাই এই অতিরিক্ত ভাড়ার খপ্পরে পড়ছেন।

আবার আব্দুল হামিদ নামের একজন যাত্রী জানান, ঢাকা ছাড়তে বেলা ১২টা থেকে তিনি গাবতলী বাস টার্মিনালে দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু তিন ঘন্টা অপেক্ষা করেও ঢাকা থেকে বগুড়ামুখী কোনো বাস পাচ্ছেন না। এখন আর কত ভাড়া নেবে, সে চিন্তা করছেন না। বলেন, ‘ভাড়া যাই হোক, বাড়ি যাব, এটাই গুরুত্বপূর্ণ’।

‘অগ্রিম টিকেট নেই, কারণ ভাবলাম কাউন্টারের আসলেই টিকেট বা বাস পাওয়া যাবে। এখন তো পাচ্ছি না।’

একইভাবে ভোগান্তিতে পড়েছেন নূর হোসেন। বলেন, ‘প্রতি বছরই তো যাই। আগে ভাগে কখনোই টিকিট কাটি না। এইবার কে জানে কী হইল। গাড়িই নাই।’

রাজবাড়ী পরিবহণের কাউন্টার মাস্টার আড়ং বলেন, ‘যাত্রী যারা আছেন তাদের মধ্যে বেশির ভাগই আগে টিকেট কেটে গেছে। অগ্রিম টিকেটের যাত্রী এখন বেশি, টিকেট ছাড়া কম।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com