ভৈরবে নতুন করে ৩৪জনের নমুনা পরীক্ষা করে আরো ২১জনকে করোনা আক্রান্তে শনাক্ত করা হয়েছে। সর্বমোট ভৈরবে এখন পর্যন্ত ৯৮জনের নমুনা পরীক্ষা করে আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩৬জনে। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা।
জানা যায়, গত ১০এপ্রিল সর্বপ্রথম ভৈরব থানার এক পুলিশ সদস্য করোনা আক্রান্তে শনাক্ত হন। পরবর্তীতে ওই পুলিশ সদস্যের সংস্পর্শে আসা আরো চার পুলিশ সদস্যকে করোনা আক্রান্তে শনাক্ত করা হয়। এছাড়াও আক্রান্ত ৩৬জনের মধ্যে এসিল্যান্ড ও আটজন চিকিৎসকসহ ১৯জন নার্স-স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন।
ভৈরবে ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্তের হার। প্রাণঘাতি এ ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না প্রশাসনিক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীসহ আম জনতা। পরিস্থিতি ভয়াবহ হওয়ার পেছনে মানুষের অসচেতনতাকেই বড় কারণ মনে করছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ। লক ডাউন ঘোষনা করা সত্বেও প্রতিনিয়িত অহেতুক বাইরে বের হচ্ছেন মানুষ। এতে একদিকে অমান্য হচ্ছে সরকারি নির্দেশনা, অপরদিকে বাড়ছে আতংক। এ অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে কারফিউ জারি করার দাবি উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে।
এদিকে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হওয়ার আগে নগরবাসীকে ঘরমুখী হওয়ার আহবান জানিয়েছেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা। এছাড়াও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরো কঠোর অবস্থানে যাবে বলেও হুশিয়ারি দিয়েছেন ইউএনও লুবনা ফারজানা।