বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।

তিনদিনের রিমান্ডে মাস্ক কেলেংকারির হোতা শারমিন জাহান

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০
  • ৪১৩ বার পড়া হয়েছে

নকল মাস্ক সরবরাহের মামলায় গ্রেপ্তার অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের মালিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার শারমিন জাহানের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

 

শনিবার (২৫ জুলাই) মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে শারমিনকে নেয়া হয় আদালতে। জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনে তিনদিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলো পুলিশ। এদিকে, আদালত প্রাঙ্গনে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন তিনি। এসময় চিৎকার করে শারমিন বলেন, ‘আমি বলির পাঠা’।

পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হেমায়েত উদ্দীন খান হিরণ জানান, অপরাধের সঙ্গে আসামির সম্পৃক্ততা থাকায় তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। আর আসামিপক্ষের আইনজীবী কাজী মুহাম্মদ পনির হোসেন জানান, যেহেতু অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল মাস্ক তৈরি করেনি, শুধু সরবরাহ করেছেন, তাই তিনি সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযুক্ত হতে পারেন না। বড় অপরাধীকে বাঁচাতে শারমিনকে ফাঁসানো হয়েছে।

 

গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে শারমিনকে রাত সাড়ে ১০টায় রাজধানীর শাহবাগের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। মামলা হওয়ার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

 

এর আগে, নকল মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের বিরুদ্ধে মামলা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) কর্তৃপক্ষ। মামলায় অভিযোগ করা হয়, বিএসএমএমইউ হাসপাতালে মাস্ক সরবরাহের অনুমতি পায় শারমিন জাহানের প্রতিষ্ঠান অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি নকল মাস্ক সরবরাহ করে। এই মাস্ক ব্যবহার করে চিকিৎসক ও রোগী ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। একই সঙ্গে নকল মাস্ক সরবরাহ করে প্রতিষ্ঠানটি বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

তারই প্রেক্ষিতে পুরো ঘটনাকে ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে শারমিন জাহান জানিয়েছিলেন, জেনেশুনে কোনো নকল মাস্ক হাসপাতালে সরবরাহ করেননি তিনি।

 

উল্লেখ্য, বিএসএমএমইউ-তে এন নাইনটি ফাইভ-এর চারটি চালানে প্রায় ৯০ লাখ টাকার মাস্ক সরবরাহ করে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল। প্রথম দুই লটে দেয়া মাস্কে কোনো সমস্যা ছিলো না। তবে গত ১৮ই জুলাই তৃতীয় লটে দেয়া মাস্ক ব্যবহার শুরু হলে হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, মাস্ক নকল। প্রতিষ্ঠানটি চীনের থ্রি এম কোম্পানির লোগো বসিয়ে যেসব মাস্ক সরবরাহ করেছে, সেখানে নকল মাস্ক পাওয়া গেছে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মাস্ক ফেরত দেয়। নকল মাস্কগুলোর গায়ে ইংরেজি বানানও ভুল ছিলো। এই ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির নোটিশের জবাবও দেয় অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com