নওগাঁয় সড়ক ও জনপথের (সওজ) জায়গা কৌশলে দখল করে ও বন বিভাগের গাছ কেটে ‘ছ’ মিলের ব্যবসা করার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম নামে এক কাঠ ব্যাবসায়ীর বিরুদ্ধে। ‘ছ’ মিলটি পশ্চিম ঢাকারোডে নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক সড়কের পাশে। শহিদুলের দেখাদেখি অনেকেই সড়কের আশেপাশের জায়গা দখল করে গড়ে তুলেছে ছোট-বড় বিভিন্ন রকমের দোকান।
সরেজমিনে জানা যায়, শহিদুল ইসলাম তার ব্যক্তিমালিকানা আনুমানিক ৩ শতক জায়গায় গড়ে তুলেছেন একটি ‘ছ’ মিল। আর ওই মিলের সামনে সড়ক ও জনপথের প্রায় ১৫ শতক জায়গা আছে। শহিদুল কৌশলে জায়গাটি দখল করে গাছের গুল স্তুপ করে রাখার স্থান করেছেন। শুধু সওজের জায়গা দখল করেই থেমে নেই তিনি। সড়কের পাশে লাগানো বন বিভাগের প্রায় অর্ধ শতাধিক গাছ কেটে ফাঁকা করে মিলে যাতায়াতের জন্য রাস্তা করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সওজের জায়গা দখল করে অবাধে ব্যবসা করে যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ কোন নজর না দেওয়ার কারণে তার দেখাদেখি আবার অনেকেই সড়কের আশেপাশের জায়গা দখল করে গড়ে তুলেছে ছোট-বড় বিভিন্ন রকমের দোকানসহ খাবারের হোটেল।এভাবেই নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করে নিজের পৈতৃক সম্পত্তি ভেবে অবৈধভাবে সওজের জায়গাঁ দখল করে অবাধে ব্যবসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে দখলদাররা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারীর অভাবে সুযোগের সৎ ব্যবহার করছেন শহিদুল ইসলামসহ অন্য অবৈধ দখলদাররা।সেজন্য সওজ কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে দখলদারদের নিকট হতে জায়গাটি অবিলম্বে দখলমুক্ত করবে। বন বিভাগ অবৈধ ভাবে গাছ কাটার জন্য দ্রুত দৃষ্টান্ত মূলক আইনানুক ব্যাবস্থা নিবে এমনটাই আশা সচেতন মহলের। ।
ছ’ মিলের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, যেখানে কাঠের গুল রাখা হয়েছে সেই জায়গাটি ব্যক্তিমালিকানা। আর বন বিভাগের একপাশে গাছ আছে আরেকপাশে গাছ কাটা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একপাশে গাছ লাগানোই হয়নি। তাছাড়া এই গাছের কমিটিতে আমরা আছি।
নওগাঁ বন বিভাগ সরজমিনে না দেখে এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি নয়। নওগাঁ সড়ক ও জনপথের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আহসান হাবীব বলেন, ‘ছ’ মিলের ওই সামনের জায়গা সড়ক ও জনপথের আর রাস্তার গাছগুলো বন বিভাগের। তবে শহিদুলের কতটুকু জায়গা আছে সরজমিনে তা গিয়ে দেখতে হবে। তার জায়গা ছেড়ে যদি সওজের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে তাহলে একটা নোটিশ করা হবে। তারপর নওগাঁ জেলা প্রাশাসক বরাবর লোটিশটি পাঠিয়ে দেওয়া হবে তিনি একটা আইনগত পদক্ষেপ নিবেন।