বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরুর আহ্বান চীনের শীর্ষ ব্যাংকগুলোকে রংপুর-রাজশাহীর পর চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী নবমীর আরতিতে আনন্দ-বিষাদ, দশমীর অপেক্ষায় ঢাকেশ্বরী কিশোরগঞ্জে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার ইশরাকের পদত্যাগপত্র পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, আজই প্রজ্ঞাপন হতে পারে সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির নিয়োগ বাতিল তাড়াইলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে হরিজন ও জেলে সম্প্রদায়ের নারীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ বদলগাছীতে দুর্গোৎসব উপলক্ষে ৪০০ দুস্থের মাঝে বস্ত্র বিতরণ ইশরাককে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশের গুঞ্জন বদলগাছীতে হত্যা চেষ্টার আসামিদের বাঁচাতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

দুই ধর্ষক ফাঁসির আগে ক্ষমা চেয়ে কাঁদলেন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে
দুই ধর্ষক ফাঁসির আগে ক্ষমা চেয়ে কাঁদলেন

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ষণ মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রায় লক্ষ্মীপুর গ্রামে দুই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে তাদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে টানা ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহতদের স্বজনরা।

সোমবার রাত দশটা ৪৫ মিনিটে ওই দুইজনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন- মিন্টু ওরফে কালু (৩৬) এবং আজিজ ওরফে আজিজুলের (৩৬)।

এর আগে শেষবারের মতো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির সঙ্গে শনিবার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন তার পরিবার। এ সময় তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনকি ধর্ষণ মামলার দুই আসামি কালু ও আজিজুল সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে কাঁদতে থাকেন।

এদিকে, যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিনকান্তি খান সোমবার রাতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।চুয়াডাঙ্গা আদালত সূত্র ও মামলার বিবরণীতে জানা যায়, আলমডাঙ্গা থানার জোড়গাছা হাজিরপাড়া গ্রামের কমেলা খাতুন এবং তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাঠে ধর্ষণ করার পর হত্যা করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা কাটা হয় ওই দুই নারীর। হত্যার পরদিনই আলমডাঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেন নিহত কমেলার মেয়ে নারগিস বেগম। মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুই জনসহ চারজনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান আসামি মহি ও আপিল বিভাগে চলতি বছর সুজনকে খালাস দেন।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত সুজন, আজিজ ও মিন্টুর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। এরপর আসামিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করেন। পরে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে ২০১২ সালে ১১ নভেম্বর নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ দুই আসামির রায় বহাল রাখেন এবং অপর আসামি সুজনকে খালাস দেন। গত ২০ জুলাই যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান সুজন। মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পরে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে তাও নামঞ্জুর হয়।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com