যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ধর্ষণ মামলার দুই আসামির ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রায় লক্ষ্মীপুর গ্রামে দুই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে তাদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে টানা ১৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহতদের স্বজনরা।
সোমবার রাত দশটা ৪৫ মিনিটে ওই দুইজনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন- মিন্টু ওরফে কালু (৩৬) এবং আজিজ ওরফে আজিজুলের (৩৬)।
এর আগে শেষবারের মতো মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামির সঙ্গে শনিবার সকালে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন তার পরিবার। এ সময় তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনকি ধর্ষণ মামলার দুই আসামি কালু ও আজিজুল সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে কাঁদতে থাকেন।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত সুজন, আজিজ ও মিন্টুর মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। এরপর আসামিপক্ষ হাইকোর্টে আপিল করেন। পরে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে ২০১২ সালে ১১ নভেম্বর নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন হাইকোর্ট। এরপর চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ দুই আসামির রায় বহাল রাখেন এবং অপর আসামি সুজনকে খালাস দেন। গত ২০ জুলাই যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান সুজন। মত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পরে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করলে তাও নামঞ্জুর হয়।