কিশোরগঞ্জে সংঘর্ষ, ব্যালট পেপার ছিনতাইসহ বিভিন্ন অভিযোগে দুটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। কেন্দ্র দুটি হলো- হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের বীর হাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরপুক্ষিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
ওই কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার শাহজাহান কবীর ভুইয়া জানান, ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ৬ কিশোরকে আটক করে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাশিতা-তুল ইসলাম।
কিশোরগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আশ্রাফুল আলম জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে দুটি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। তবে অল্প সময়ের মধ্যেই পুনরায় কেন্দ্র চালু করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
চতুর্থ ধাপে কিশোরগঞ্জের তিনটি উপজেলার ২২টি ইউনিয়নে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা হতে ভোটাররা লাইন দাঁড়িয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে নারী ও পুরুষ ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
জেলার ২২টি ইউনিয়নে মোট ১০৫ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যসহ মোট ১১৫৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে হোসেনপুর উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন, কটিয়াদী উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও ভৈরব উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন রয়েছে।
হোসেনপুর উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২৫ জনসহ সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদসহ মোট ৩০১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
কটিয়াদী উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪৩ জনসহ সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদসহ মোট ৫২৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভৈরব উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৭ জনসহ সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদসহ ৩২৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ইউপি নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সকল ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোট দিতে পারে, সেজন্য ম্যাজিস্ট্রেটসহ পর্যাপ্ত বিজিবি, র্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।