রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তাড়াইলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হোসেনপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত আলট্রাসাউন্ডে যমজ সন্তান, সিজারের পর দেওয়া হলো একটি তুরস্কে গুলিতে নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকুন্দিয়ায় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২৯ দিন পর ঢাকায় গ্রেপ্তার

ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস চায় না হেফাজত

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে
ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস চায় না হেফাজত

ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস চায় না হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের কার্যালয় স্থাপনের সরকারি সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে তারা।

সংগঠনটির আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব সাজেদুর রহমান বলেছেন, জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয় খুলতে দেয়ার সিদ্ধান্ত চরম আত্মঘাতী হবে। এর থেকে অন্তর্বর্তী সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতের দুই শীর্ষ নেতা। আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তারা এ আহ্বান জানান।

হেফাজাতে ইসলামের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নতুন করে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হোক এবং তাতে অন্তর্বর্তী সরকার আরও দুর্বল হয়ে পড়ুক তা আমরা চাই না।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব আজিজুল হক ইসলামাবাদী বিবৃতির বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান ভলকার টুর্কের ঢাকা সফরকালে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিষদের কার্যালয় খোলার প্রস্তাবের বিষয়টি সামনে আসে। জাতিসংঘ এ নিয়ে প্রস্তাব দিলেও এ নিয়ে সিদ্ধান্ত হওয়ার বিষয়ে সরকারের দুই উপদেষ্টা দুই রকম বক্তব্য দিয়েছেন।

ভলকার টুর্কের সঙ্গে বৈঠকের পর মঙ্গলবার সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমীন মুরশিদ বলেন, ওই কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত না হওয়ার কথা পরদিন বলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনের ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, সপ্তদশ দেশ হিসেবে ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের এমন কার্যালয় হতে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে হেফাজতের শীর্ষ দুই নেতা এর বিরোধিতা করে বলেন, দেশে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলজুড়ে অজস্র মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছিল। গুম-খুন ছাড়াও বিশেষত বিডিআর হত্যা, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের গণহত্যার পরও নির্বিঘ্নে স্বৈরাচারী শাসন কায়েম রাখতে পেরেছিল হাসিনা। পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ থাকা সত্ত্বেও হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে পারেনি জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন। উল্টো গত বছরের নভেম্বরে জাতিসংঘের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার দুর্নীতিগ্রস্ত কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে সমস্ত প্রতিবাদ উপেক্ষা করে নিয়োগ দেয়া হয়।

এসব কারণে এমন ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন কাগুজে’ মানবাধিকার সংস্থার অফিস ঢাকায় হোক তা দেশের জনগণ চায় না বলে মন্তব্য করেন হেফাজতের নেতারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার পলিসিতে এলজিবিটিকিউ তথা সমকামীদের অধিকারের বিষয়টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত। কিন্তু বাংলাদেশ মুসলিম-অধ্যুষিত রাষ্ট্র হওয়ায় এদেশে সমকামিতা শুধু ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে নিষিদ্ধই নয়, রাষ্ট্রীয় আইনেও দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়াও উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনে তাদের নারী-পুরুষ সমানাধিকার ও সর্বজনীন যৌনশিক্ষার ইস্যুগুলো ইসলামের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে খ্রিস্টান রাজ্য বানানোর আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রও উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরে হেফাজত নেতারা বলেন, সন্ত্রাসীরা পার্বত্য চট্টগ্রামে যে সন্ত্রাসবাদ, অশান্তির দাবানল সৃষ্টি করেছে, তা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। এমনকি পার্বত্য চট্টগ্রামে ৩৮ হাজার বাঙালি হত্যার দায় ও সব ঘটনার দায় অবশ্যই সন্ত্রাসীদের নিতে হবে। কিন্তু জাতিসংঘ তাদের ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সন্ত্রাসীদের পক্ষে বক্তব্য বিবৃতি দিয়েছেন।

হেফাজত বলছে, বিভিন্ন মুসলিম দেশে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নেতৃত্বে বোমাবর্ষণ, গণহত্যা, আগ্রাসন, লুটপাট ও নজিরবিহীন মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলেও জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদ সেসবের কিছুই ঠেকাতে পারেনি। দশকের পর দশক বিনা বাধায় ফিলিস্তিনে ইসরাইলের গণহত্যা ও দখলবাজি চলমান এবং কাশ্মিরে ভারত কর্তৃক মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়মিত ঘটনা। এমনকি সাম্রাজ্যবাদীদের আগ্রাসনকবলিত ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন, লিবিয়া ও লেবাননসহ অসংখ্য মুসলিম দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে কোনো দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতেও চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে সংস্থাটি।

যে কারণে ‘দেশের স্বার্থে’ ও ‘মুসলিম জনগোষ্ঠীর সভ্যতা সংস্কৃতি অক্ষুন্ন রাখার জন্য’ এ কার্যালয় খুলতে দেয়া যাবে না বলে বিবৃতিতে দাবি করেন হেফাজত ইসলামের নেতারা।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com