রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তাড়াইলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হোসেনপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত আলট্রাসাউন্ডে যমজ সন্তান, সিজারের পর দেওয়া হলো একটি তুরস্কে গুলিতে নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকুন্দিয়ায় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২৯ দিন পর ঢাকায় গ্রেপ্তার

ভল্টে জায়গা না হলে নতুন নোট ‘তুলে নেবে’ কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে
ভল্টে জায়গা না হলে নতুন নোট ‘তুলে নেবে’ কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষণা করেছে যে, বাণিজ্যিক ব্যাংকের ভল্টে নতুন নোট রাখার জায়গা না থাকলে তা ‘প্রত্যাহার করে’ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, “যখন কোনো ব্যাংক এ ধরনের সমস্যার কথা জানাবে, তখনই তৎক্ষণাৎ তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হবে।”

প্রতি বছর ঈদে ২৫ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসময় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও নতুন নোট বিনিময় করে নেয়। তবে, এবার ঈদের জন্য পরিকল্পনা ছিল যথারীতি। ১৬ ফেব্রুয়ারি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষণা করে যে ৮০টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের শাখা থেকে নতুন নোট বিনিময়ের ব্যবস্থা হবে। এসব শাখা সর্বোচ্চ ৬৫ লাখ টাকা নতুন নোট সংগ্রহ করে ভল্টে রাখে।

তবে ১০ মার্চ, বাংলাদেশ ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ঈদুল ফিতরের জন্য নতুন নোট বিনিময় কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে এবং ব্যাংকগুলোকে সেই ‘ফ্রেশ’ নোটগুলো তাদের শাখাতেই সংরক্ষণ করতে বলা হয়। এর ফলে, ব্যাংকগুলো বিপাকে পড়ে কারণ তারা এই নতুন নোটগুলোর মাধ্যমে লেনদেন করতে পারছে না, এবং এগুলো ভল্টে পড়ে থাকার কারণে জায়গার অভাব হচ্ছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘অসুবিধায় পড়া’ ব্যাংকগুলো থেকে টাকা প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরিফ হোসেন খান বলেন, “তবে, সব ব্যাংক থেকে টাকা প্রত্যাহার করার পরিকল্পনা নেই। শুধু যেসব ব্যাংক নতুন নোট সংরক্ষণে সমস্যায় পড়বে, সেগুলো থেকে টাকা তুলে নেওয়া হবে।”

একটি বেসরকারি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, “প্রতিটি ব্যাংকের শাখার ভল্টের সীমিত ধারণক্ষমতা থাকে। অতিরিক্ত টাকা জমা হলে এসব টাকা পরবর্তী শাখায় বা বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘চেস্ট’ শাখায় পাঠাতে হয়।” তিনি আরও বলেন, “এ বছরের ঈদের আগে ২৫ মার্চ পর্যন্ত এসব নতুন নোট ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু তা স্থগিত হওয়ায় ব্যাংকগুলো কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে।”

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী এপ্রিলের শেষ বা মে মাসের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ দিয়ে নতুন নকশায় নোট বাজারে আসবে।

দেশের মুদ্রা ছাপানোর কাজটি করে দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড, যা টাকশাল নামে পরিচিত। ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান প্রথম ১৯৮৮ সালে একটি টাকা ছাপানোর মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করে। ২০২০ সালে নতুন নকশায় ২০০ টাকার নোট চালু হয়, যেখানে বঙ্গবন্ধুর ছবি নতুন রূপে ব্যবহার করা হয়।

এর আগে, ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধুর ছবি ছাড়া শেষবার নোট ছাপানো হয়েছিল।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com