রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে তাড়াইলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হোসেনপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত আলট্রাসাউন্ডে যমজ সন্তান, সিজারের পর দেওয়া হলো একটি তুরস্কে গুলিতে নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকুন্দিয়ায় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২৯ দিন পর ঢাকায় গ্রেপ্তার

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার পাহাড়

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন, ২০২৫
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের টাকার পাহাড়

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্যেই ২০২৪ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে প্রায় ২৩ গুণ। সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বছর শেষে বাংলাদেশিদের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা।

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের নামে মোট ৫৯ কোটি ৮২ লাখ সুইস ফ্রাঁ জমা রয়েছে। প্রতি ফ্রাঁ ১৫০ টাকা ধরে হিসাব করলে এই টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ৮ হাজার ৯৭২ কোটি টাকা। অথচ এক বছর আগে, ২০২৩ সালের শেষে এই অঙ্ক ছিল মাত্র ২ কোটি ৬৪ লাখ ফ্রাঁ বা প্রায় ৩৯৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে এ অর্থপ্রবাহ বেড়েছে প্রায় ২৩ গুণ।

তবে এই পরিসংখ্যান সম্পূর্ণরূপে ব্যাখ্যার দাবি রাখে। সুইস ব্যাংকগুলোর দায়ের মধ্যে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর অর্থ, আমানতকারীদের অর্থ এবং দেশের নামে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত আছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভাষ্য অনুযায়ী, ৯৫ শতাংশই মূলত ব্যাংকগুলোর বাণিজ্যিক পাওনা।

তবে এই বিপুল পরিমাণ অর্থের উৎস নিয়ে সন্দেহ রয়েই গেছে। অনেকেই ধারণা করছেন, এই অর্থের একটি অংশ পাচার করা হতে পারে। যদিও সুইস কর্তৃপক্ষ এখনো ব্যক্তিগতভাবে কারা এই অর্থ গচ্ছিত রেখেছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট বিএফআইইউ দীর্ঘদিন ধরেই সুইজারল্যান্ডের সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে তথ্য চেয়ে যোগাযোগ করে আসছে। কিন্তু সুইস কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছে, অবৈধ অর্থ গচ্ছিত রাখার নির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া তারা কোনো ব্যক্তির নাম প্রকাশ করবে না।

উল্লেখ্য, সুইস ব্যাংকে শুধু নগদ অর্থ নয়, অনেক সময় শিল্পকর্ম, স্বর্ণ বা দুর্লভ সামগ্রীও গচ্ছিত থাকে, যার অর্থমূল্য এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। এছাড়া কেউ যদি অন্য দেশের নাগরিকত্ব ব্যবহার করে টাকা জমা রাখে, সেক্ষেত্রেও ওই অর্থ বাংলাদেশের হিসেবে গণ্য হয় না।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com