বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
স্পেনে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান কিশোরগঞ্জে ইমরান হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুড়ল ৩ ঘর চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে নিন্দা, প্রত্যাহার ও অপসারণের দাবি বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু নেপালের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল তেল আবিব

নিকলীতে এসএসসি পরীক্ষায় পাঁচ জন ছাত্রী অংশ নেয়নি; কারণ বাল্য বিবাহ

দিলীপ কুমার সাহা
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৭২৪ বার পড়া হয়েছে

গতকাল (৩ ফেব্রুয়ারি) সোমবার থেকে অনুষ্ঠিত এস এসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় নবম শ্রেণিতে নিবন্ধিত হয় ১১২৬ জন ছাত্র-ছাত্রী। কিন্ত দুই বছরের ব্যবধানে পাঁচ ছাত্রী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে গেছে। এই ছাত্রীরা ঝরে পড়ার একমাত্র কারণ বাল্যবিবাহ বলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষকগণ জানিয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের এস এসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য উপজেলার ১০ টি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ১১২৬ জন ছাত্র-ছাত্রী নবম শ্রেণীতে ওঠার পর নাম নিবন্ধন করে। দুই বছর পর ওই ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে এস এসসি পরীক্ষায় ফরম পুরণ করে ১১২৬ জন ছাত্র-ছাত্রী। এর ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে মধ্যে পাঁচ জন ছাত্রী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়েছে।

উপজেলা নিকলী শহীদ স্বরণিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী, করগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ও মজলিশপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগন বলেন, বাল্য বিয়ের কারণে এসএসসি পরীক্ষায় পাঁচ জন ছাত্রী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে গেছে।

ছাত্রীটির অভিভাবকদের সাথে কথা বললে জানা যায়, বাল্য বিবাহ কী এটা বুঝি না, মেয়ে বড় হয়েছে বিয়ে দিয়েছি এতে দুষের কী আছে। দিনকাল ভালো না তাই যতো তাড়াতাড়ি মেয়েকে বিয়ে দেওয়া যায় সেটাই ভালো। মেয়ে ঘরে বড় হলে মা-বাবার চোখের ঘুম হারাম হয়ে যায়। বাবা-মা হিসেবে মেয়েকে বিয়ে দেওয়া ফরজ কাজ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ নুরুজ্জমান হাবীব বলেন, এ ঝরে পড়ার ছাত্রীদের অন্যতম কারণ বাল্যবিবাহ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সামছুদ্দিন মুন্না বলেন, বাল্যবিবাহের কারণে মাধ্যমিক স্তরে ছাত্রী ঝরে পড়েছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। প্রশাসনের লোকজন বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়ে আসার পরও অভিভাবকরা তাদের মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দেন। এ মাস থেকেই উপজেলার প্রতিটি বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা গুলোতে সপ্তাহে একদিন করে গিয়ে শিক্ষক , অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সভা করে তাদের সচেতনামূলক পরার্মশ দেওয়া হবে। নিকলী উপজেলাকে বাল্যবিবাহের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com