বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ঢাকা মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত পাকুন্দিয়ায় ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু স্পেনে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান কিশোরগঞ্জে ইমরান হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুড়ল ৩ ঘর চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ

স্বাধীনতার ৪৯ বছরে ২ বার আলো জ্বলেছে!

দিলীপ কুমার সাহা
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০
  • ৬৬২ বার পড়া হয়েছে

স্বাধীনতার ৪৯ বছরে ২ বার আলো জ্বলেছে আলো। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামছুদ্দিন মুন্নার উদ্যোগে ২৫শে মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সর্ববৃহৎ বধ্যভূমি কেন্দ্রীয় শ্মশান ঘাটে দ্বিতীয় বারের মতো মোমবাতি প্রজ্বালনের মধ্যে স্মরণ করা হয়েছে ৩৪ শহীদকে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ এম রুহুল কুদ্দুস ভূইয়া, নিকলী থানা অফিসার ইনচার্জ শামছুল আলম সিদ্দিকী, নিকলী প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক দিলীপ কুমার সাহা, সাংবাদিক খায়রুল মোমেন স্বপন, জয়দেব ঠাকুর প্রমুখ। ১৯৭১ সালে ২১শে সেপ্টেম্বর উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের মিস্ত্রি পাড়ার ৩৯ জনকে নিরাপত্তা কার্ড (ডান্ডি) দেয়ার আশ্বাস দেয় শান্তি কমিটির স্থানীয় দালাল ও তৎকালীন দামপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাহেব আলী ওরফে ট্যাকার বাপ ও সিরাজ, সানাইসহ কয়েক রাজাকারের তত্ত্বাবধানে তাদেরকে নিয়ে আসা হয় রাজাকার ক্যাম্প নিকলী থানায়। এদের মধ্যে বাদল সুএধর, বাদল বর্মন, সুনু বর্মন, গোপাল সূত্রধর বয়সে কিশোর হওয়ায় রাখা হয় থানা হাজতে।

৩৪জনকে পিঠমোড়া বেঁধে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে চালানো হয় নির্যাতন। ক্ষণে ক্ষণে লাঠি আর বেয়নেটের খোঁচাখুঁচি চলে সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত। পাক মেজর দোররানীর বর্তমানে (নিকলী জিসি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে পাক ঘাঁটিতে অবস্থানরত) সঙ্গে ওয়ারলেসযোগে সিদ্ধান্ত নেয় হোসেন আলী। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঐ ৩৫ গ্রামবাসীকে থানার নিকটস্থ সোয়াইজনী নদীর পশ্চিমপাড়ের শ্মশানখলা ঘাটে সারিবদ্ধ দাঁড় করিয়ে চালানো হয় ব্রাস ফায়ার।

রাজাকারদের সহযোগিতায় গুলিবিদ্ধ ৩৫ জনকেই হলুই (মাছ গাঁথার বড় সুই) করে নিয়ে যাওয়া হয় ধুবলারচর নামক হাওরে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে ঘোড়াউত্রা নদীতে ডুবিয়ে দেয় সবাইকে। এ সময় ৩৫ জনের মধ্যে কামিনী বর্মন নামে একজন কাকতালীয়ভাবে বেঁচে যান। ভোর বেলায় ছেড়ে দেয় থানা হাজত থেকে ৪ কিশোরকে। ততক্ষণে হাওরের জলে ভেসে গেছে তাদের মা-কাকীর সিঁদুর।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামছুদ্দিন মুন্না বলেন, সুদীর্ঘ সময়ে বধ্যভূমিটিতে শহীদ বেদি হয়নি এটি দুঃখজনক। শহীদ বেদি নির্মাণে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান। সারা দেশে ন্যায় করোনাভাইরাসের কারণে নিকলীতেও শাটডাউন থাকায় অল্প সময়েই অনুষ্ঠান মধ্যে শেষ করে দেন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com