কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের চাঞ্চল্যকর মহাসিন হত্যা মামলার এজাহার নামীয় দুই আসামীকে আটক করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা। আটকৃতরা হলেন, বাজিতপুর থানাধীন নান্দিনা আলিয়াবাদ গ্রামের মৃত মহিউদ্দিন খানের ছেলে শহিদ খান (৪৬) ও একই এলাকার রেখু মিয়ার ছেলে মোঃ আমিন। আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নিজ এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।
র্যাব জানায়, গত ২ফেব্রুয়ারী তারিখ রাত আটটার দিকে বাজিতপুর থানাধীন মাদারহাট এলাকায় মামলার বাদী রাজন এর সাথে ১ নং আসামী শহিদ খান এর কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এরই জের ধরে পরিকল্পিতভাবে ২৮ফেব্রুয়ারী রাত পৌনে নয়টার দিকে মাদারহাট সাকিনস্থ (ফায়ার সার্ভিসের পূর্ব পার্শ্বে) হারুন মিয়ার বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর রাজনকে মারতে আসলে পাশ্ববর্তী ভাগলপুর গ্রামের জমরুদ মিয়ার ছেলে ভিকটিম মহসিন মহন(৪০), বিবাদীদের বাধা নিষেধ করলে শহিদ খান ও আমিন খান সহ আরো অজ্ঞাতনামা ৮/৯ জন মিলে মহাসিন মহনকে এলোপাথারি আঘাত করে গুরুত্বর জখম করে। গুরুত্বর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়।
এ বিষয়ে বাজিতপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন মহাসিনের পরিবার। পরবর্তীতে ভিকটিম মহাসিন মহন ঢাকার ধানমন্ডি রিলায়েন্স জেনালের এন্ড রেনাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৪মার্চ মারা যান। এতে করে মামলায় ৩০২ পেনাল কোড সংযোজিত হয়। পরে মামলার আসামীদের গ্রেফতারে গোয়ন্দো নজর ধারি অব্যাহত রাখে ভৈরব র্যঅব ক্যাম্প। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরব র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের এবং স্কোয়াড কমান্ডার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসাইন এর নেতৃত্বে র্যাবের একটি আভিযানিক দল আজ মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নান্দিনা আলিয়াবাদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহার নামীয় উপরোক্ত দুই আসামীকে আটক করে করতে সক্ষম হয়।
এছাড়াও মামলার অন্যান্য আসামীদেরকে আইনের আওতায় আনতে র্যাবের গোয়েন্দা নজরধারি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ভৈরব র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের।