বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ঢাকা মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত পাকুন্দিয়ায় ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু স্পেনে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান কিশোরগঞ্জে ইমরান হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুড়ল ৩ ঘর চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ

একটি গাছেই ৩০ প্রজাতির আম

ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৪ জুন, ২০২২
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে
একটি গাছেই ৩০ প্রজাতির আম

ফেনীর সোনাগাজীতে সোয়ার্স এগ্রোর বাগানে রয়েছে ৯০ জাতের আম। একটি গাছেই ফলন হয়েছে ৩০ প্রজাতির আমের। বাগানটিতে কাঁঠাল, কলা, পেঁপে, পেয়ারা, নারকেল, খেজুর, সুপারি, ড্রাগন, জামরুলসহ রয়েছে নানা ফলের গাছ। রয়েছে গবাদিপশুর খামার, মাছের ঘেরও নার্সারি। বাগানটি আলাদা বৈশিষ্ট হলে এই এক বাগানেই রয়েছে শুধু দেশ বিদেশি ৬ হাজার আম গাছ। বাগান থেকে সরাসরি বিভন্ন ফল ক্রয় করতে ও বাগান দেখতে প্রতিনিয়ত ভিড় জমাচ্ছে দর্শনার্থীরা।

সোনাগাজীর মুহুরী সেচ প্রকল্পের পাশেই ১৯৯২ সালে সোয়াস এ্যাগ্রো নামে একটি বাগান শুরু করেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর স্থানীয় বাসীন্দা মো. সোলায়মান। মাত্র ৩ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে প্রথম অবস্থায় ৬ একর জমিতে বাগান করলেও বর্তমানে এখানে রয়েছে ৬৫ একর জমি।

সোলাইমান জানান, তার একটি গাছে এই বছর ৩০ প্রজাতির আমের ফলন হয়েছে তিনি এই গাছে একশত প্রজাতির আম ফলানোর চেষ্টা করছেন। তিনি আশাবাদী তিনি পারবেনও। ৬৫ একরের সমন্বিত এই খামারে প্রায় ১৫ একর জমিতে রয়েছে আমবাগান। এর মধ্যে ৪ একর জমিতে রয়েছে শুধু আম বাগান। বাকি আম গাছগুলো লাগানো হয়েছে মাছ চাষের পুকুরের পাড়ে।

তিনি আরও জানান তার আম বাগানে রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, দিনাজপুর, নওগাঁসহ সারা বাংলাদেশের সব অঞ্চলের আম। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, ভারত, ভুটান, চীনসহ বিদেশি বাহারী, নানা স্বাদের আমও রয়েছে এখানে। বাগানে রয়েছে বানানা, হিমসাগর, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, ক্ষীরশাপাতি, রুপালি, তোলাপুলি, আম্রপালি, হাঁড়িভাঙা, লুবনা, পালমার, ল্যাংড়া, লক্ষণভোগ, মোহনভোগ, ক্ষীরপুলি, শাহী-পছন্দ, রাজভোগ, মির্জাপুরী, কিষাণভোগ, ফজলি, চসা, আশ্বিনা, খিরসা পাতি, হিমসাগর, অমৃতভোগ, রানী পছন্দ, কৃষ্ণভোগ, দিল পছন্দ, বোম্বাই (মালদা), সূর্যপুরী, মিসরীভোগ, শ্রীধন, গোলাপ খাস, বৃন্দাবনী, দিল খোশ, হাড়ি ভাংগা, কোহিতুর, লক্ষণভোগ, মোহনভোগ, ক্ষীরপুলি, শাহী-পছন্দ, রাজভোগ, মির্জাপুরী, অমৃতভোগ, রানী পছন্দ, কৃষ্ণভোগ, দিল পছন্দ, বৃন্দাবনী, দিল খোশ, হাড়ি ভাংগা, কোহিতুর, আশ্বিনা, বারমাসী ও কাঁচা মিঠা, কোহিনুর, চৈতালী, জাফরান, দিল খোস, দুধ কুমার, দুধসর, বাবুই ঝাঁকি, মধুচাকী, মিঠুয়া, শ্রাবণী, স্বর্ণরেখা, সুবর্ণরেখা, ক্ষীরপুলি ইত্যাদি জাতের আম রয়েছে।

দর্শনার্থী ও ক্রেতা আতিকুর রহমান শিবলী জানান, এখানে উন্নত মানের মধু পাওয়া যায়। মধু সংগ্রহের জন্য এখানে তিনি নিয়মিত আসেন। তার ছেলে ছোট থাকতে গলায় সমস্যা ছিল। অনেক ডাক্তার দেখানোর পর এক ডাক্তার বললেন মধু খাওয়াতে। এই মধু খাওয়ানোর পর গলার সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।

বাগানটিতে রয়েছে বারোমাসী কিছু আমও। বাগানটি দেখতে সুন্দর হওয়ায় দর্শনার্থীরা এখানের সৌন্দর্য উপভোগের জন্য আসার পাশাপাশি ক্রয় করে নিয়ে যাচেছন বিভিন্ন পণ্যও। দর্শনার্থী ব্যবসায়ী শিমুল, তানিয়া, শিক্ষক মুক্তা, কফিল চৌধুরী জানান, তারা এই বাগান থেকে বিভিন্ন প্রজাতির আম ও মধু ক্রয় করতে এসেছেন। ছাদ বাগানের জন্য কিছু গাছের চারাও নিয়ে যাবেন।

মেজর (অব.) সোলায়মান বয়স বেড়ে যাওয়ায় এই বাগানোর ব্যবসায়ীক হিসাব নিকাশ দেখছেন তার ছেলে ওমর বিন সোলায়মান। তিনি জানান, চলতি মৌসুমে এ বাগান থেকে ৪০ টন আম উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্র ধরা হয়েছিলো। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফলন কম হওয়ায় এখন তা ধরা হচ্ছে ২৫ টন। প্রতিকেজি আম এখান থেকে বিক্রি হয় একশত টাকা করে। আম বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে হয়না। খামারে এসেই ক্রেতারা আম কিনে নিয়ে যান। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কিছু ক্রেতা রয়েছেন যারা কুরিয়ারে মাধ্যমে আম সংগ্রহ করেন। বিকাশে টাকা পাঠিয়ে দেয়ার পরে ঠিকানায় পৌছে যায় আম।

সোলায়মান জানান, আমের মুকুল আসার দুই মাস আগে একবার কীটনাশক ছিটানো ছাড়া বাগানে কীটনাশক বা রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হয়না। সারা বছর ব্যবহার করা হয় জৈব সার। এই বাগানে স্থায়ী কর্মচারীর সংখ্যা ২৫। আর দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে আছেন আরও ১০ জন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com