বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
ঢাকা মেডিকেলের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত পাকুন্দিয়ায় ২১ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু স্পেনে দুটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাব কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান কিশোরগঞ্জে ইমরান হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুড়ল ৩ ঘর চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ

ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে তাড়াইলের কামার শিল্পীরা

রুহুল আমিন, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৯ জুন, ২০২২
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে
ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে তাড়াইলের কামার শিল্পীরা

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা সদর থেকে শুরু করে প্রত্যান্ত জনপদের কামার পল্লীগুলো এখন দারুণ ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে।

দম ফেলার ফুরসত নেই কামারদের। দগদগে আগুনে পোড়ানো গরম লোহায় উস্তাদ-সাগরেদের ছন্দময় পিটাপিটিতে মুখর হয়ে উঠছে কামারশালাগুলো। এদিকে ধাতব সরঞ্জামাদি শান দিতে শানদানগুলোতেও ভিড় ক্রমেই বাড়ছে। ভ্রাম্যমাণ শানদানিরা চষে বেড়াচ্ছে এখানে-সেখানে। 

তাড়াইল উপজেলা সদর বাজার এলএসডি রোডের কামারশালার দেবানন্দ দে কামার জানান, কোরবানির ঈদে হাজার হাজার গরু, খাসি, ভেড়া, মহিষ ইত্যাদি পশু কোরবানি করা হয়ে থাকে। এসব পশু জবাই থেকে শুরু করে রান্নার জন্য চুড়ান্ত প্রস্তুতি পর্যন্ত দা-বঁটি, ছুরি-ছোরা, চাপাতি ইত্যাদির ধাতব হাতিয়ার প্রয়োজন পড়ে। তিনি আরো জানা, সারাদিন হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে যে কয়টি জিনিস তৈরি করি তা বিক্রয় করে খুব বেশি লাভ না হলেও পরিবার-পরিজন নিয়ে ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকার স্বার্থে আদি এ পেশা আমি ধরে রেখেছি। তবে সারা বছর কাজ-কর্মের ব্যাস্ততা না থাকলেও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আমার কর্ম ব্যাস্ততা বেড়ে গেছে। সারাবছর এই রকম কাজ থাকলে ভালই হতো।

ঈদের বিপুল চাহিদার যোগান দিতে আরও এক মাস আগে থেকেই কাজ শুরু হয়েছে। ঈদের আর কয়েকদিন বাকি থাকলেও পাইকারি দোকানদার ও খুচরা ক্রেতাদের চাহিদা সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ঈদের আগ পর্যন্ত ঠিকমত নাওয়া-খাওয়ার সময় পাওয়া যাচ্ছে না। কাঁচা-পাকা লোহা দিয়ে তৈরি করা হয় ধাতব যন্ত্রপাতি। পাকা লোহার দা-ছুরি সবসময়ই বেশি দামে বিক্রি করা হয়ে থাকে। 

উপজেলার কামারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আকৃতি ও লোহা ভেদে দা ১০ থেকে ৫৭০ টাকা, ছুরি ৫০ থেকে ৪২০ টাকা, ছোরা প্রতিটি সর্বোচ্চ ৮০ টাকা, হাড় কোপানোর চাপাতি এক একটি ৩২০ থেকে ৬২০ টাকা এবং ধার দেয়ার স্টিল প্রতিটি ১০০ টাকা করে বেচাকেনা হচ্ছে। পুরনো যন্ত্রপাতি শান দিতে বা ‘পানি’ দিতে ২৬০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে এক দামের কারবার নেই। বিক্রেতার সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ক্রেতা দাম চুড়ান্ত করতে পারবেন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com