শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
তুরস্কে গুলিতে নিহত ৮, হামলাকারী গ্রেপ্তার ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা কোস্টগার্ডের পাঁচ জাহাজের নাম বদল, জাতীয় চার নেতার নাম ও ‘জয় বাংলা’ বাদ ৭ নভেম্বর ছিল বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির স্বৈরাচার আওয়ামী লীগকে এ দেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকুন্দিয়ায় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ২৯ দিন পর ঢাকায় গ্রেপ্তার কিশোরগঞ্জে ১৫ কেজি গাঁজা ও নগদ টাকাসহ যুবক গ্রেপ্তার এলএনজি বিদ্যুতে বাড়ছে ভর্তুকির চাপ, নতুন বিনিয়োগ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন রোনালদো

নিকলীতে গো-খাদ্যের দাম দ্বিগুণ বাড়ায় বিপাকে খামারি

দিলীপ কুমার সাহা, নিকলি, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
নিকলীতে গো-খাদ্যের দাম দ্বিগুণ বাড়ায় বিপাকে খামারি

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে গো-খাদ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক ও গো-খামারিরা।

গো-খামারি ও গো-খাদ্য ব্যবসায়ীরা জানান, গত দু’মাস আগেও ফিড প্রতি বস্তা ৭৫০ থেকে ৯৫০, গমের ভুষি প্রতি বস্তা ১ হাজার ২০০ টাকা, ছোলার ভুষি প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, ধানের কুড়া প্রতি কেজি ১০ থেকে ১৫ টাকা, চালের খুদ প্রতি কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা, সরিষার খৈল প্রতি কেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা এবং লবণ প্রতি কেজি ১০ থেকে ১২ টাকা ছিল। কিন্তু বর্তমানে ফিড প্রতি বস্তা ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা, গমের ভুসি ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা, ছোলার ভুষি প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা ধানের কুড়া প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, চালের খুদ প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, সরিষার খৈল প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং লবণ প্রতি কেজি ২২ থেকে ২৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলার সিংপুর গ্রামের গো-খামারি ও কৃষক কাবিল সর্দার জানান, বর্তমানে আমার খামারে গাভীসহ আটটি গরু আছে। যেভাবে দিন দিন গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে হারে আমরা গরু পালন করে লাভবান হতে পারবো না। দানাদার খাদ্যের পাশাপাশি গরুকে খড় খাওয়ালে উৎপাদন খরচ কিছুটা কম হয়। কিন্তু এবছর খড়ের দামও বাড়ছে। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে গরু পালন সম্ভব হবে না।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কে এম তানজির নাহিম জানান, গো-খাদ্যের দাম হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় খামারিরা বিপাকে পড়েছেন। খামারিরা ঘাস আবাদ করলে দানাদার খাদ্যের পরিমাণ কম লাগবে। এতে তাদের উৎপাদন খরচ কমবে ফলে খামারি লাভবান হবেন।

উপজেলা প্রাণীসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় নিবন্ধিত খামারের সংখ্যা ২ টি ও অনিবন্ধিত ২৮৩ টি। পাশাপাশি দুধ উৎপাদন হচ্ছে প্রতি বছরে ১৮ হাজার ৫২৪ মেট্রিক টন এবং মাংস ১০ হাজার ৭১ মেট্রিক টন।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com