রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সংকট পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু কিশোরগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার তাড়াইলে দারুল কুরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি হোসেনপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নেপালের বন্যা: জলবায়ু পরিবর্তনের সীমান্তহীন হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ লাগানো লাশ উদ্ধার কাঁচাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চড়া ডিম-মুরগির দাম বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

হোসেনপুরে বিলুপ্তির পথে শিল্পী পাখি বাবুই ও তালগাছ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ জুন, ২০২৩
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে
হোসেনপুরে বিলুপ্তির পথে শিল্পী পাখি বাবুই ও তালগাছ
‘তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে, সব গাছ ছাড়িয়ে, উঁকি মারে আকাশে’ শিশুতোষ কবিতাটিতে কবির বর্ণিত তালগাছ ও বাবুই পাখির বাসা কালের বিবর্তনে আজ হারিয়ে যেতে বসেছে।
এক সময় গ্রাম বাংলার আনাচে কানাচে তালগাছের ডালে ডালে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা চোখে পড়তো। তাতে অসংখ্য বাবুই পাখি দেখা যেতো। দলবেঁধে উড়ন্ত বাবুই পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখর ছিল গ্রামীণ জনপদ। কিন্তু বর্তমানে নেই তালগাছ, নেই বাবুই পাখি।
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বর্তমানে বিলুপ্তির পথে পরিবেশ বান্ধব ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষাকারী তালগাছ। একই সাথে শিল্পী পাখি নামে খ্যাত বাবুই পাখিও আজ হারিয়ে যাচ্ছে। কয়েক বছর আগেও হোসেনপুর উপজেলার গ্রামাঞ্চলের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে তালগাছ ছিল। এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে অবাধে তালগাছ নিধন করায় উপজেলাটি প্রায় তালগাছ শূন্য হয়ে পড়ছে। ফলে নেই বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা।
স্থানীয় পরিবেশবিদদের মতে, অবাধে তালগাছ নিধনের কারণে ঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাতের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না মানুষ ও পশু-পাখি। গত বছর বিজলি পড়ে হোসেনপুরে বেশ কয়েকজন লোক ও অনেক পশু মারা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দুই-তিন বছর আগেও উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভাসহ বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ২০ হাজার তালগাছ ছিল। ভাদ্র মাসে গাছভরা থাকতো তাল। গাছ থেকে পাকা তাল ঝড়ে পড়ত। গ্রামের মানুষ কুড়িয়ে পাওয়া তাল দিয়ে তৈরি করত সুস্বাদু পিঠা-পায়েস। তালের পাতা দিয়ে তৈরি হতো নানা কারুকার্যের হাতপাখা। ইটভাটায় লাকড়ি ও ঘরের পিলারসহ নানা কাজে ব্যবহারের জন্য নির্বিচারে কেটে ফেলা হচ্ছে তালগাছ। ৯০ শতাংশ তালগাছ আগেই কাটা হয়ে গেছে।
.
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ একে এম সাজাহান কবির জানান, তালগাছ প্রকৃতির বন্ধু ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষাকারী বৃক্ষ। এ গাছ প্রবল ঝড় বৃষ্টি ও আকাশের বিজলি থেকে মানুষ ও প্রাণিকূলকে রক্ষা করতে সহায়তা করে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com