সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
টানা তিন হার বাংলাদেশের, এবার বড় লজ্জা দিল ভারত হানাহানি এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘মৃত্যুর আগে ছেলেকে একবার দেখে যেতে চাই’ ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিটের ব্যবধানে ঢামেকে তিন কারাবন্দীর মৃত্যু এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ: বাসের সুপারভাইজার ও সহকারীর স্বীকারোক্তি, চালক রিমান্ডে দেশে মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা কটিয়াদীতে মাথার টুপির ভেতর থেকে ইয়াবা উদ্ধার, মুদি দোকানি গ্রেপ্তার সংকট পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু কিশোরগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার

তাড়াইলে প্রকাশ্য চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি

রুহুল আমিন, তাড়াইল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
তাড়াইলে প্রকাশ্য চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের প্রতিটি বাজারে প্রকাশ্য চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি। এসব জাল দিয়ে বিভিন্ন নদ-নদী ও খাল-বিলে দেশীয় প্রজাতির ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ নিধন করা হচ্ছে। বর্ষার শুরু থেকেই এসব জাল বেঁচাকেনা বেড়ে গেছে ও মাছ ধরা শুরু হয়েছে।

উপজেলার প্রতিটি বাজারের ব্যবসায়ী সরকারী আইন কানুনের কোনো রকম তোয়াক্কা না করে নিয়মিত কারেন্ট জাল বিক্রি করছে। এতে ধ্বংস হযে যাচ্ছে দেশিয় প্রজাতির মাছ। বর্ষার শুরু থেকে এসব জাল দিয়ে মাছ ধরা শুরু হয়। নদ-নদী, খাল-বিল ও ডোবার পানি বৃদ্ধির পর মাছ ধরার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার করে নিজেদের অজান্তেই মৎস্য সম্পদকে হুমকির মুখে ফেলছে মাছ শিকারিরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কারেন্ট জালের সহজলভ্যতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। 
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে পুকুর রয়েছে ২হাজার ৯৫৫টি, জলাশয়ের পরিমাণ ৩৬টি। সূতী, নরসুন্দা, বর্নি ও ফুলেশ্বরী নামে ৪টি নদী রয়েছে, সুনাই ও হুলিয়ারদাইড় নামে ২টি হাওড় রয়েছে। উপজেলায় মৎস্যচাষী রয়েছে ১ হাজার ৯৮৫ জন এবং মৎস্যজীবি রয়েছে ৫ হাজার ৭৫ জন জেলে। এসব জলাশয়ে এখন যথেষ্ট দেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বর্ষায় এসব নদী-নালা, খাল-বিলে মাছ ডিম ছাড়ায় প্রচুর রেণু-পোনা জন্ম নিয়েছে। কিন্তু কারেন্ট জালের ব্যবহারে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেশিয় প্রজাতির মাছ।
তারা আরও জানায়, ২০০২ সালে সরকারের জারি করা মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনের ৪ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি কারেন্ট জালের উৎপাদন, বুনন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ, বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন না। আইন ভঙ্গকারীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা এক থেকে দুই বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হবে। এ ছাড়া, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ এর বিধি-১২ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তার কম ব্যস বা দৈর্ঘ্য ফাঁস বিশিষ্ট জাল বা অনুরূপ ফাঁস বিশিষ্ট অন্য যেকোনো জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। 
এ ব্যাপারে তাড়াইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অমিত পন্ডিত বলেন, প্রায়ই অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এসব জাল ধরে এনে আগুনে পুড়ানো হচ্ছে। অবৈধ কারেন্টজাল বিক্রিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্টেট বরাবর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার জন্য সুপারিশ করা হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com