বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
অভিন্ন সমৃদ্ধিতে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে জাপান কিশোরগঞ্জে ইমরান হত্যা: অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, পুড়ল ৩ ঘর চাকরির প্রলোভনে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিককে রুশ বাহিনীতে নিয়োগ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে নিন্দা, প্রত্যাহার ও অপসারণের দাবি বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু নেপালের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল তেল আবিব সাইবার ঝুঁকিতে বন্ধের ৩ দিন পর সচল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন ‘দুঃখজনক ও লজ্জাজনক’: ধর্মমন্ত্রী

তাড়াইলে প্রকাশ্য চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি

রুহুল আমিন, তাড়াইল প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৯ জুলাই, ২০২৩
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে
তাড়াইলে প্রকাশ্য চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের প্রতিটি বাজারে প্রকাশ্য চলছে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল বিক্রি। এসব জাল দিয়ে বিভিন্ন নদ-নদী ও খাল-বিলে দেশীয় প্রজাতির ডিমওয়ালা ও পোনা মাছ নিধন করা হচ্ছে। বর্ষার শুরু থেকেই এসব জাল বেঁচাকেনা বেড়ে গেছে ও মাছ ধরা শুরু হয়েছে।

উপজেলার প্রতিটি বাজারের ব্যবসায়ী সরকারী আইন কানুনের কোনো রকম তোয়াক্কা না করে নিয়মিত কারেন্ট জাল বিক্রি করছে। এতে ধ্বংস হযে যাচ্ছে দেশিয় প্রজাতির মাছ। বর্ষার শুরু থেকে এসব জাল দিয়ে মাছ ধরা শুরু হয়। নদ-নদী, খাল-বিল ও ডোবার পানি বৃদ্ধির পর মাছ ধরার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ শিকার করে নিজেদের অজান্তেই মৎস্য সম্পদকে হুমকির মুখে ফেলছে মাছ শিকারিরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কারেন্ট জালের সহজলভ্যতা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। 
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে পুকুর রয়েছে ২হাজার ৯৫৫টি, জলাশয়ের পরিমাণ ৩৬টি। সূতী, নরসুন্দা, বর্নি ও ফুলেশ্বরী নামে ৪টি নদী রয়েছে, সুনাই ও হুলিয়ারদাইড় নামে ২টি হাওড় রয়েছে। উপজেলায় মৎস্যচাষী রয়েছে ১ হাজার ৯৮৫ জন এবং মৎস্যজীবি রয়েছে ৫ হাজার ৭৫ জন জেলে। এসব জলাশয়ে এখন যথেষ্ট দেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বর্ষায় এসব নদী-নালা, খাল-বিলে মাছ ডিম ছাড়ায় প্রচুর রেণু-পোনা জন্ম নিয়েছে। কিন্তু কারেন্ট জালের ব্যবহারে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেশিয় প্রজাতির মাছ।
তারা আরও জানায়, ২০০২ সালে সরকারের জারি করা মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনের ৪ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি কারেন্ট জালের উৎপাদন, বুনন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, সংরক্ষণ, বহন ও ব্যবহার করতে পারবেন না। আইন ভঙ্গকারীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা বা এক থেকে দুই বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হবে। এ ছাড়া, মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৮৫ এর বিধি-১২ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তার কম ব্যস বা দৈর্ঘ্য ফাঁস বিশিষ্ট জাল বা অনুরূপ ফাঁস বিশিষ্ট অন্য যেকোনো জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। 
এ ব্যাপারে তাড়াইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অমিত পন্ডিত বলেন, প্রায়ই অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এসব জাল ধরে এনে আগুনে পুড়ানো হচ্ছে। অবৈধ কারেন্টজাল বিক্রিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং নির্বাহী ম্যাজিস্টেট বরাবর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার জন্য সুপারিশ করা হবে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com