রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
সংকট পুঁজি করে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু কিশোরগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের ২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার তাড়াইলে দারুল কুরআন মাদরাসার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি হোসেনপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নেপালের বন্যা: জলবায়ু পরিবর্তনের সীমান্তহীন হুমকি ইসলামী ব্যাংকে এস আলমের ৮১.৯২ শতাংশ শেয়ার ফ্রিজের নির্দেশ হাইকোর্টের ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ লাগানো লাশ উদ্ধার কাঁচাবাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও চড়া ডিম-মুরগির দাম বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু

পাকুন্দিয়ায় ৩৫০ বছরের পুরানো ঐতিহ্যবাহী আরঙ্গজের মসজিদ

মো: মুঞ্জুরুল হক মুঞ্জু, পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় শনিবার, ১২ আগস্ট, ২০২৩
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে
পাকুন্দিয়ায় ৩৫০ বছরের পুরানো ঐতিহ্যবাহী আরঙ্গজের মসজিদ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শালংকা গ্রামে ৩৫০ বছরের অধিক সময় ধরে এখনো এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি তার ঐতিহ্য বহন করে আসছে।

মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট, আরঙ্গজের (বাদশা আলমগীর) এর রাজ দরবারে শেখ মোহাম্মদ হানিফ নামে অত্যন্ত জ্ঞানী একজন মুহাদ্দিস ছিলেন, তিনি সম্রাট আরঙ্গজের দরবার হাদিস বর্ণনা করতেন ও ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করতেন। দীর্ঘকাল দক্ষতার সাথে কাজ করার ফলে নবাব তার জ্ঞানের প্রতি অত্যন্ত খুশি হয়ে শেখ মোহাম্মদ হানিফকে ৬২ মৌজার জায়গা দান করেন।

ধারনা করা হয়, তিনি ১৬৬৫ সালে দিল্লি হতে পূর্ব বঙ্গের এই ময়মনসিংহের এ অঞ্চলে এসে উক্ত জায়গার জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন। দিল্লি থেকে তার পরিবার সহ এখানে অর্থাৎ শালংকা গ্রামে এসে প্রসাদ নির্মাণ এর কিছু সময় পর ১৬৬৯ সালে এই মসজিদটি নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। ৬২ মৌজা জমিদারিতে বিচার-শালিল, খাজনা আদায়, নিজস্ব বাহিনী সহ ব্যাপক জৌলুস ছিল।

মুঘল স্থাপত্যকলায় তৈরি বর্গাকার আকৃতির মসজিদটির প্রধান ফটকে ছিলে কালো পাথরের লেখা আরবী ফার্সি ভাসার কিছু বাণী। এটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট একটি মসজিদ। মসজিদটির পাশে রয়েছে জমিদার শেখ মোহাম্মদ হানিফের কবর। তবে তার চিহ্ন কালের আবর্তে বিলিন হয়ে যায়।

গম্বুজটির চারপাশে রয়েছে চমৎকার কারুকার্য এবং পদ্মপাপড়ির ন্যায় গঠনশৈলী। যা মুঘল স্থাপত্যকলার সাদৃশ্য বহন করে। আবার মসজিদের গম্বুজটির উপরের অংশ উল্টানো পদ্ম ফুলের ন্যায়। যা প্রমাণ করে এটি মুঘল স্থাপত্যকলার আদলে তৈরি। এছাড়াও পিলারের উপর চার কোণায় চারটি কলস ছিল। মসজিদটির দেয়ালে লতাপাতা ও ফুলের ন্যায় চমৎকার কারুকার্যে তার নৈপুণ্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ধ্বংসপ্রাপ্ত জমিদার বাড়িটি কালের আবর্তে পরপর দু বার ভূমিকম্পে ও পরবর্তিতে বিলিন হয়ে যায়। তবে এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটি ফাটল সহ নামাজের অনুপযোগী হলেও এখনো জৌলুস ধরে রেখে দাঁড়িয়ে আছে।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com