মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের নিউজ সাইটে খবর প্রকাশের জন্য আপনার লিখা (তথ্য, ছবি ও ভিডিও) মেইল করুন onenewsdesk@gmail.com এই মেইলে।
সর্বশেষ খবর :
শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন বোর্ড গঠনের উদ্যোগ ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্যে নিন্দা, প্রত্যাহার ও অপসারণের দাবি বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু নেপালের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল তেল আবিব সাইবার ঝুঁকিতে বন্ধের ৩ দিন পর সচল বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিপীড়ন ‘দুঃখজনক ও লজ্জাজনক’: ধর্মমন্ত্রী বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১১৬ ডলার ছাড়াল যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের ৩ দিনের খাবার-পানি মজুতের নির্দেশনা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব

হোসেনপুরে টানা তাপদাহে ঝরে পড়ছে আমের গুটি

সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৫৫ বার পড়া হয়েছে
হোসেনপুরে টানা তাপদাহে ঝরে পড়ছে আমের গুটি
কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে এবার গাছে গাছে বিপুল পরিমাণে মুকুল এসেছিলো। গাছগুলোতে আমের গুটিও ছিলো অনান্য বছরের তুলনায় অনেক বেশি। এছাড়া শুরু থেকেই বাড়তি যত্নে কৃষক পর্যায়ে কিংবা বাগানগুলোতে এসব গুটি থেকে আস্তে আস্তে বড় হচ্ছিলো আমগুলো। তবে গত কদিনের টানা তীব্র দাবদাহে গাছে থাকা আমের গুটির বৃদ্ধি ও টিকে থাকা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন বাগান ও গাছের মালিকরা।
মূলতঃ সপ্তাহব্যাপি টানা তীব্র দাবদাহের কারণে আমের গুটিগলো ঝরে পড়ছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। এতে লোকসানের মুখে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আম বাগানের মালিক ও কৃষকরা। তাই ভুক্তভোগীরা এ বিষয়ে জরুরি সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আম বাগান ও কৃষকের আম গাছের নীচে ছোট বড় অসংখ্য গুটি পড়ে আছে। এ সময় উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের হোসেন আলী, তারেকসহ অনেকেই জানান, এ বছর তাদের গাছে মুকুল কিছুটা দেরিতে আসলেও ফাল্গুন মাসের শেষের দিকে বৃষ্টি ও কুয়াশার কারণে মুকুলের আংশিক ক্ষতি হলেও স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগীতায় সেচ দেওয়ায় ওই সময়ে মুকুলের খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। কিন্তু এবারের একটানা খরার কারণে আমের গুটি বড় হচ্ছে না, বোটা শুকিয়ে ঝড়ে পড়ছে গুটি। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টির পানি না হলে সেচ দিয়েও খুব বেশি কাজ হচ্ছে না।
উপজেলার জিনারী গ্রামের  মোঃ জলিল মিয়া, সামছুলসহ অনেকেই জানান,গত ৭/৮ দিনের খরায় আমের গুটির প্রচুর পরিমাণে ক্ষতি হয়েছে। তবে সম্প্রতি যারা বাগান বা আম গাছে সেচ দিয়ে ছত্রাকনাশক স্প্রে করেছে,তাদের বাগানে আমের গুটি টিকে আছে তুলনা মূলক বেশি। ফলে অন্য বছরের তুলনায় এবছর আমের উৎপাদন খুবই কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে তারা মোটা অংকের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতে হবে তাদের।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম শাহজাহান কবির জানান, এ বছর দু’টি কারণে আমের উৎপাদন কমে যেতে পারে। একটি হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন, আরেকটি হচ্ছে উপজেলার  সকল আমবাগান কিংবা কৃষকের আম গাছে সময় মতো পরিচর্যা ও সেচ না দেয়া। এসব কারণে এক আম গাছ কিংবা বাগানের পোকামাকড়গুলো অন্য বাগানগুলোকে টানা খরার কারণে আক্রান্ত করছে বেশি। যার ফলে এবার আমের উৎপাদন কমে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Tahmina Dental Care

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

© All rights reserved © 2026 Onenews24bd.Com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com